একটা কাগজের নৌকা—যেখানে আনন্দের স্নানে রোজ উঠে আসে নন্দিত ধ্যান। তবু ভাসার ছলে গভীর এক সমুদ্রের নাভীতে ডুবিয়ে দিলে—এই সুন্দর বাহন। আজ কাগজের ফসিলে লিখছি—খাদের সেইসব স্তর যা কেবল জীবনের উৎসবে চুকিয়ে নেয় মিথ্যে মন্থন!
জেনেছিলে—এই সাদা পৃষ্ঠায়—ধীরে—নীলে—আঁকা যাবে দুর্যোগের সমূহ ক্রন্দন এবঙ যখন বৃষ্টি হবে—সাবলীল স্মৃতির শাঁস রুয়ে চলে যাবে আরেক বাহনে। ভাসতে থাকবে—এবং তোমাকে নেয়া হবে সেইসব সমুদ্রের কোল ঘেষে—যেখানে দু’তীরে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে নতুন যান। অদ্ভুদ সমাহারে—নামিয়ে আনবে রাতের দেহ। জীবনের নিয়ন আলোয় মেলে ধরবে তোমার অনাকাঙ্খিত পেখম। একদিন সেই পেখমের নিচেও ফের ফসিল হবে অজস্র নৌকা। তবু তোমরা তাতেই নাচবে—দুলবে—চলবে—প্রাণে প্রেম না দিয়ে…
বদ্বুদ উঠাবে—ছড়িয়ে দিবে—থঅই থঅই স্মৃতির ত্রিতাল জল! কিঙবা একটা ক্ষোভের পরিখার দিকে ডিঙিয়ে যাবে চিরায়ত গাছ। তখন উবে যাবে—সত্যিই উবে যায়—সমস্ত সহনশীল পথ! তবু জেনে রেখো—এই—আমি না পাওয়া সংরাগের—অনুরাগের ভেতর দিয়েই বয়ে যাই মানুষের দিকে—