ছড়ায় বঙ্গবন্ধু – চিত্তরঞ্জন সাহা (চিতু)

একগুচ্ছ  বঙ্গবন্ধুর ছড়া

         (এক)

যার জন্য

যার জন্য একটি পতাকা
যার জন্য ভাষা,
যার জন্য এই বাঙালীর
জুড়ায় মনের অাশা।
যার জন্য তারার মেলা
চন্দ্র সূর্যোর অালো ,
যার জন্য ভাবতে হৃদয়ে
বড্ড লাগে ভালো।
যার জন্য যুদ্ধ হলো
স্বাধীন হলো দেশ,
যার জন্য বুঝেছে শকুন
একাত্তরে শেষ।
যার জন্য অাকাশ বাতাস
অাজও স্বাক্ষি আছে,
যার জন্য নীল কালো লাল
ফুল ফোটে গাছে গাছে।
যার জন্য সব কিছু পাওয়া
অামরা যে তার ভক্ত,
সেই নেতাটি বঙ্গবন্ধু
দিয়ে গেল শেষ রক্ত।

        (দুই)

মুজিব মানে

মুজিব মানে লাল সবুজের
মানচিত্র গড়া
বুকের মাঝে শক্তি সাহস
অান্দোলনের ছড়া।
মুজিব মানে বীরের জাতি
মুক্তিসেনার দল,
একাত্তরে যুদ্ধে পাগল
দুরন্ত চঞ্চল।
মুজিব মানে পিচঢালা পথ
রক্তে ভেজা লাল,
ডিসেম্বরে বিজয় নিশান
সমুদ্র উত্তাল।
মুজিব মানে তুমি ও অামি
বাংলা ভাষাভাষি
শ্রদ্ধাভরে তাই নেতাকে
অামরা ভালোবাসি।

         (তিন)

একটি মুজিব

একটি মুজিব একটি পতাকা
লাল সবুজে গড়া,
মনের অাবেগে শত ছড়াকার
লেখে তারা কত ছড়া।
একটি মুজিব জাতীয় সংগীত
দেশকে ভালোবাসি,
ছোট্র শিশুর অাধো অাধো মুখে
মিষ্টি ঠোটের হাসি।
একটি মুজিব একাত্তরে
মুক্তিসেনার লড়াই,
বুকের মাঝে শক্তি সাহস
তাইতো করি বড়াই।
একটি মুজিব ডিসেম্বরে
স্বাধীনতা আসে ফিরে,
রক্তে রক্তে সমুদ্র ঢেউ
হৃদয়ে অাছে ঘিরে।
একটি মুজিব খুন হয়ে যায় পচাত্তরের সালে,
বুকের মাঝে থাকবে অমর
যুগে যুগে কালে কালে।

              (চার)

..স্বাধীনতার ডাক

স্বাধীনতার  ডাক বলো কে দিলো
ইতিহাসে কার নাম,
বজ্রকন্ঠ ভেসে অাসে কানে
“এবারের সংগ্রাম”
পাক পশুরা ক্ষেপে যায় তারা
গ্রেফতার করে তাকে,
কোটি জনতা রাজপথেে নামে
৭ই মার্চের ডাকে।
নেতাকে বাঁচাও অস্ত্র ধরো
বাঁচাও সোনার দেশ,
শকুনের দল তাড়াতেই হবে
করতেই হবে শেষ।
হায়নার দল অারো ক্ষেপে যায়
নেতাকে দেবে ফাঁসি
ভয় নেই তবু নেতার বুকে
মুখে ছিল তাঁর হাসি।
বীর বাঙালী প্রতিশোধ নেয়
যুদ্ধ  হলো  দেশে
পাকসেনারা বুঝেছে ঠেলা
কুপোকাৎ হলো শেষে।

          (পাঁচ)

বঙ্গন্ধুর জন্ম দিনে

গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ার
জন্ম হলো যার,
কাঁপিয়ে দিলো একাত্তরে
নেই তুলনা তার।
স্বপ্ন ছিলো দু’চোখ জুড়ে
করবে স্বাধীন দেশ,
এই বাঙালী বলবে কথা
অাসবে পরিবেশ।
স্বপ্ন যে অাজ সত্যি হলো
যুদ্ধ হলো দেশে,
পাক পশুরা বুঝলো ঠেলা
হার মেনেছে শেষে।
আজকের এই জন্মদিনে
তাইতো স্মরণ  করি,
রক্তে কেনা সোনার এদেশ
এসো এবার গড়ি।

        (ছয়)

নয় মাসে স্বাধীনতা

মার্চে শুরু হয়
ডিসেম্বরে শেষ,
যুদ্ধে বাঙালীদের
মনোবল বেশ।
মার্চে সেই সাতে
দিলো মহা ডাক,
যুদ্ধের অাগুনটা
ছড়িয়েই যাক।
ডাক শুনে বাঙালীরা
জাগে ঘরে ঘরে,
প্রতিশোধ প্রতিরোধ
দুর্গটা গড়ে।
অস্ত্রটা হাতে হাতে
শ্লোগান মুখে,
মানে নাতো ভয় ভীতি
সাহসটা বুকে।
হার মানে দস্যুরা
হয় নাজেহাল
সেই দিন সারাদেশে
হয় উত্তাল।
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।