গুচ্ছ কবিতায় দেবযানী বসু
মাটি অধ্যায়
দেয়ালে আঁকছি আলতামিরার ভালোবাসা। পরণে মহাশ্বেতা শাড়ি। গঙ্গা রঙের শাড়ি।পাখিটি আরো পাখির সন্ধান দিল। ঝলসে যাচ্ছে আয়নার কৌতূহল। বন বনানী পুড়ে যাচ্ছে টেক্কা ও রাজার সম্মিলিত হাসিতে। শরীর সত্ত্ব গাছের নিচে খুলে রেখে গন্ধর্ব রাতের কাছে গেছি পুরোনো দিন পেরিয়ে। রথের চাকাগুলো গোল কন্দ বিশেষ হয়ে গেছে। যৌবন অধ্যায় ভৌগলিক মাটি অধ্যায়ে বিভক্ত করে নিলে পড়তে সুবিধা।
জোড়া পায়ে দাঁড়ানো
কেটে ছেঁটে আগাছার ফল আরো মিষ্টি করেছ। তালগাছের টুপি পরবার সখে জলও ঢালতে চাই নি। শান্তরসে শাপলা ফুলের বেঁচে থাকা। শাপলার দুধে সেঁকোবিষ। একলা গাওয়ার গানে জোছনাগরল। সবাই মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে নধর লিঙ্গটি থেকে। চাঁদে ধানচাষ করে ফিরেছে অপ্সরাযানী নারী। টিয়াপাখির চোখে জল কচুরিপানা পুড়ে গেলে। আজন্মকাল পায়ের উপর নির্ভরশীল রয়ে গেছে প্রেম।