শীত শীত পড়েছে আজ কদিন। বিকেলের পড়ন্ত রোদ মেখে বারান্দায় বসে মাঠে ছেলেদের ফুটবল খেলা দেখতে দেখতে পা টা নিশপিশ করছে আশিস বাবুর। রোজকার মত ঠিক সময়ে চা নিয়ে হাজির হলেন স্নেহা। তবে মুখে একটা অন্যরকম হাসি চোখ এড়ালো না আশিস বাবুর। আর চায়ের কাপের দিকে তাকিয়ে তো আরও অবাক হলেন। ট্রে তে একটা টাটকা লাল গোলাপ। জিজ্ঞাসু চোখে গিন্নির দিকে তাকাতেই, স্নেহা পাশে বসে আশিস বাবুর কাঁচাপাকা চুলগুলো দুষ্টু হাতে এলোমেলো করে দিতে দিতে বললেন, “শুভ পুরুষ দিবস।”
আশিস বাবু আরও অবাক হয়ে বললেন, “সেটা আবার কি গো? নারী দিবস তো শুনেছি, পুরুষ দিবসও আবার হয় নাকি?”
স্নেহা লাজুক মুখ করে বললেন, “আজ সকালে বৌমা আর বাবাই অফিস বেরোনোর সময়, টিফিন বক্সগুলো ওদের দিতে ঘরে ঢুকতে গিয়ে দেখি, বৌমা বাবাইয়ের গালে চুমু দিয়ে বলল শুভ পুরুষ দিবস সোনা। তখনই তো জানলাম।”
আশিস স্নেহার কপালে চুমু দিয়ে বললেন, “দূর বোকা। তোমার আর আমার মধ্যে আবার নারী পুরুষ কি? আমরা দুজন দুজনের পরিপূরক। স্নেহা আর আশিস, স্নেহাশিস। তাই আমাদের প্রত্যেকদিনই অর্ধনারীশ্বর দিবস।”