কবিতায় রূপ কর্মকার

তবুও অপবিত্রে
যেদিন তুমি বোলেছিলে অঙ্গুলি হেলনে
আমি নারী হয়েছি বলে পুরুষ তুমি ধন্য ,
সেদিন নত মস্তষ্কে স্মিত হাসিতে
নমস্কার জানিয়ে বলেছিলেম সত্যিই আমি ধন্য ॥
তীব্র প্রতিবাদে যখন বোলেছিলে ,
পুরুষ তুমি কি মানুষ হতে পারোনা ?
সেদিন নত মস্তকে স্মিত হাসিতে
নমস্কার জানিয়ে বলেছিলেম
এ পাচিল যে তোমারি গড়া
আমি যে তা ভাঙতে পারিনা ॥
আমার নারীত্বেই প্রকৃতি প্রকাশ পায়,
তোমার পুরুষত্ব প্রকাশ পায় পাঁকে ।
সেদিন নত মস্তকে স্মিত হাসিতে
নমস্কার জানিয়ে বলেছিলেম
সেই পাঁক বীর্যেই প্রকৃতি প্রকাশ পায়,
জানো নারী তাকি সে !
তোমার নারীত্বে পবিত্র প্রকাশিত হয় ,
আমার পৌরুষত্ব প্রকাশ পায় অপবিত্রে ।
সেদিন নত মস্তকে স্মিত হাসিতে বোলেছিলেম
প্রণমি তোমায় হে নারী,
তোমার মাতৃত্বের স্বাদ গ্রহণ করো
এই পুরুষ অপবিত্রে ॥
তবুও আমি বোলবো হে নারী
আমার প্রাণ পূর্ণতা পায় তোমারি আশির্বাদে ।
আমার ক্ষুধা তৃপ্তি ঘটে তোমারি আশির্বাদে ॥
নত মস্তকে স্মিত হাসিতে
নমস্কার জানিয়ে বোলবো
হে নারী তুমিই মা অন্নপূর্ণা রুপে॥
তবুও বোলবো ~
নত মস্তকে স্মিত হাসিতে
নমস্কার জানিয়ে
তুমি ভুলে থাকো ভেদাভেদেতে
নারী প্রকৃতিতে ॥