কিছু জিনিস না-জানাই বোধহয় বেশি ভালো ছিল। যেমন কিছু ছদ্মবেশী কথা বা কথোপকথন। যেমন বিরামহীন বুকের ওঠানামা।
বিশ্বাস করুন সব জানতে নেই।
রক্তে ঘাম জমে। লবনের পাহাড়ে কেমন চোখ-মুখহীন নুনের পুতুল হয়ে বসে থাকা!
আর ভালো লাগে না এ যন্ত্রণা…
কাক-পক্ষীহীন দুপুরেরও কিছু নিজস্ব গুপ্তচর থাকে
জানে তারা কোথায় কোন গোপন গচ্ছিত সন্তর্পণে।
পাওয়া ও পাইয়ে দেওয়ার মেহফিল।
খুলে গেছে সমস্ত দেওয়াল…
সালোয়ার থেকে শাড়ি, মধ্যদুপুর।
প্রতিবেশী ছায়া দেখে একটি দুল-হারানো কান
কিংবা শাড়ির কুচির ক্লান্তি-সুখ।
অথচ সমস্ত দেওয়াল জুড়ে ভালোবাসার চিহ্ন।
আসলে,চিহ্ন নয়।
ভালোবাসার নামে ব্যবহার করা একটি মেধার ছাপ।
কিছু জিনিস বোধহয় না-জানাই বেশি ভালো ছিল।
যেমন একসঙ্গে একাধিক মুখ বিছানা জুড়ে
ডানে মায়া তো বাঁয়ে কায়া
উত্তরে রঞ্জিতা তো দক্ষিণে নন্দিতা
পুবে বনলতা তো পশ্চিমে মাধবীলতা…
আর কিছু ছদ্মবেশী কথা ও কথোপকথন।
পশ্চিমে মাধবীলতা হলেও
ডুবে যাওয়া তার অদৃষ্টে নেই।
মাধবীলতারা মরে না…
‘কালবেলা’ মনে পড়ে?
মাধবীলতারা মরে না…
বিপ্লবের অন্য নাম মাধবীলতা
মাধবীলতা মানে বিরামহীন বুকের ওঠানামা…