কবিতায় পিন্টু পাল
জন্ম, রূপ ও অন্তর
এ বিষাদ স্তব্দ করে দাও
এ নির্জন পথ, অদৃশ্য কুয়াশাবাড়ি
চারপাশ ছিপ-পুতুল ভেঙে ভেঙে
নীরব শপথের গান
বহমান কামনার স্রোত ভিজে কামড়ের ঈশ্বর
এ বাঁক সমান্তরাল —–দুঃখ আর নিয়তির ডানা
এ বাঁক পায়ে পায়ে আগুন নিয়ে বৃষ্টি আর বীর্যের সহবাস
প্রেম ও প্রত্যাখানের মিশকালো রাত, নিবিড় মন্ত্রে
পাহারা দেয় নক্ষত্রনগরী আর তার প্রসবকিরণ
নির্বাসিত আবেগ মৃত পালকের মতো আকাশে ওড়ে
উড়ে যায় কালপুরুষের খোঁজে শূন্যে ছিটকে
উন্মত্ত হাতি চুম্বন শেষে ফুটে ওঠে ভিড় মেঘে
বিচ্ছেদ ঘষে ঘষে কেঁদে ওঠে শাশ্বত অন্ধকারে
ফেরিওয়ালা
কেনা ও বেচায় যতটা ফারাক
ততটায় নীরবতা ও চিৎকার
দু’পা ঘুরে ঘুরে দোদুল্যমান মালিকানা
যেন বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো
এককাল শুধু প্রতীক্ষা আর হেঁকে যাওয়া…
বারবার বাঁচতে চেয়ে কত ফেরিওয়ালা শুধু নীরবতাই কিনে গেছে
শূন্যকাল
ধ্রুবমন্ত্রকে গিঁটে বেঁধে নিয়তিতে আঁকা
পান্ডুঅভ্যেস
সংঘাত কিনে কিনে বিলাপ বাড়ে
ন্যায়ালয় তাগাদা পাঠায়
শিকড় আঁকড়ে
শোকপানি চুপমনে অন্ধকারে বসে…
শূন্যকাল জন্ম ও মৃত্যুকে হরিবাসরে বিভাজিত করে