এ মুহূর্তে রাতের প্রতিলিপি ছুঁয়ে যাচ্ছে কবি
রাতের তারাদের খিদে, জ্বলজ্বল করছে নদীচোখ…
কোথাও নীরবে ঝরছে করুণ আর্তি- জমানো শোক
হায়েনা, বনবেড়াল হোক বা আরোও খতরনক মানুষেরা ;
ক্রমশঃ একদিন ধরা পড়বে অন্য গ্রহের টেলিস্কোপে –
প্রত্নতাত্ত্বিক ফসিল !
দাঁতের মাপ, নখ চুলের এমনকি হিংস্রতার নমুনা সংগ্রহ
চলবে ভীনগ্রহে-
এই নাগরিক অধ্যায়, ভালোবাসা -প্রকৃতিজাত;
এতটাই মায়াময়…..
কবি তো বিজ্ঞানী নয়!
নয় কোনো জ্যোতির্বিদ বা ভবিষ্যৎবক্তা
কাল্পনিক অলীক রাজ্যের হলুদ মলাটের নীচে কয়েক অক্ষর
তার পান্ডুলিপি ;
কবি জানে এসব-
উত্তরাধিকার হিসাবে কোনো ভ্রুণও জন্ম নেবে না- কবিতার
পরজন্ম-
লুটোপুটি খাচ্ছে আদি-অন্তের রুদ্রকেতন। কি ভীষণ উত্তপ্ত
জ্যোৎস্নার ছায়া!
দূরের আলপথ থেকে মেঠো ইঁদুরের দাঁতের শব্দ- ধানের গন্ধ,
কারা অদ্ভুত সুর ধরে স্যাক্সোফোনে – গলার নীচে হাড়ের
শিঙা দুটো করুণ আর্তনাদ…
প্রশ্ন নেই কারুর, জরুল দাগে জন্ম জিজ্ঞাসাও কেমন
উদাসীন!
আজ থাক ওরা একা- কবিও
শহরে, বন্দরে যাদের ফেরার কথা ছিলো…
মাঝেমাঝে হারিয়ে যেতে হয় মাঝ সমুদ্রে,দূরের গ্যালাক্সিতে-
যেখান থেকে জীবন্ত খাবি খাওয়া চিতলের পেট থেকে
মৃত মৃগনাভি তুলে আনতে হয় মায়া আঙুলে-