এই সময়ের আম জনতার মুখোমুখি

টুকরো খবর

এয়ার ইন্ডিয়ার দ্বায়িত্বশীল আধিকারিকের বয়ানে –

টলমল করছিল দেশের ন্যাশনাল কেরিয়ার, এয়ার ইন্ডিয়া।
ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স ত আগেই মুছে গেছে, এবার সরকার বলছিলেন এয়ার ইন্ডিয়ার ওপর, বন্ধ হয়ে যাওয়া কিংফিশার এয়ারলাইন্সের বিজয় মাল্যের আত্মীয় পূর্ব্ববর্ত্তী মন্ত্রী প্রফুল্ল প্যাটেল যে অন্যায় ঋণের বোঝা চাপিয়েছেন, তার দায় সরকার নিতে পারবেনা। বিক্রি করে দেওয়া হোক এই ঊড়ান সংস্থা। দরকার নেই দেশের কোন ন্যাশনাল কেরিয়ার।
এই ভয়ংকর বিপদের দিনে দেশ এবং বিদেশে আজ কিন্তু এয়ার ইন্ডিয়া ই একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রাণপণ কাজ করে চলেছেন কর্মকর্তা এবং কর্মীরা।
চিন থেকে মেডিক্যাল কিট ইত্যাদি আসছে।
দিল্লি থেকে কলকাতার হাব ছুঁয়ে উড়ে চলছে একান্ত আবশ্যিক ওষুধ ও ত্রাণ উত্তরপূর্ব রাজ্যে। নইলে সেখানের প্রাণ বাঁচে না।
এ দেশে আটকে থাকা জার্মানির মানুষকে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে দেশে নিরাপদে।
ইটালি এবং স্পেনে আটকে থাকা ভারতীয় ছাত্র শিক্ষকদের নিরাপদ ভাবে দেশে ফিরিয়ে এনেছে উড়ান।
ইজরাইলে পৌঁছে যাচ্ছে চিকিৎসার সামগ্রী।
নিয়মিত চিকিৎসার সমস্ত সাহায্যে কাজ করে চলেছে এয়ার ইন্ডিয়া।
লক ডাউনে তাদের কোন বিশ্রাম নেই।

কেমন আছেন সাধারণ মানুষ ?

শ্রীমতি সোমা মুখার্জি। এসোশিয়েট প্রফেসর , কে কে দাস কলেজ।
তিনি বললেন, অনেক দামি কিছু শিখলাম এই কঠিন সময়ে।
সহনশীলতা শিখলাম নতুন করে। শক্তিশালী হলাম , আর চিন্তাশীল ও। কত কিছু মেনে নিচ্ছি স্থির হয়ে যা আগে হলে অস্থির করে দিত আমাদের।
ছোটরাও ত মানিয়ে নিচ্ছে ঠিক। ওরা নিজেদের কেরিয়ার, পরীক্ষা নিয়ে দিশেহারা। তবুও মেনে নিয়ে, মানিয়ে নিয়ে রয়েছে।
আমার বড় মেয়ে তিস্তার বোর্ড এক্সাম একটা পেপার বাকি রয়ে গেল। ছোট পৌষালি, তের বছর, কয়েক দিনের জন্য বেংগালুরু গিয়ে অপেক্ষায় ছিল দিদির পরীক্ষা শেষ হলেই সবাই গিয়ে একসাথে ফিরে আসব। কত দিন হয়ে গেল আত্মীয়দের কাছে আটকে রইল। ওরা কিন্তু সাহসী নতুন প্রজন্ম।
আর সকলেই বিশ্ব জুড়ে এত বিপদেও আশায় বুক বেঁধে আছে।
এর মধ্যেও নীল আকাশের দিকে তাকাচ্ছি। পাখির ডাক শুনতে ভাল লাগছে। আর রোজকার দৌড়ের থেকে কিছু রেহাই ত হচ্ছে বটেই।

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।