বৃষ্টি পড়ছে টিপটিপ করে। শোঁ শোঁ করে ঝড় বইছে।
এক ভুত আর এক পেত্নী সন্ধেবেলায় ভৌতিক পার্কের কোনার শিমুল গাছের ডালে বসে ঠ্যাং দোলাতে দোলাতে তুলো ছিঁড়ে ওড়াতে ওড়াতে প্ল্যান করছিল কি করে বাড়ী থেকে পালানো যায়।
সমস্যাটা হচ্ছে, পেত্নীর একটা লন্ড্রী আছে, যেখানে ব্রহ্মদৈত্যের তেলচিটে পৈতে-ধুতি, শাঁকচুন্নির শতচ্ছিন্ন নাইটি, মামদোর ল্যাঙট, মেছোভুতের আঁশটে গন্ধওয়ালা ময়লায় রঙ ঢেকে যাওয়া শাড়ী কেচে পরিষ্কার করে দু বেলার দু মুঠো ভুতুরে খাবারের জোগাড় হয়।
কিন্তু, ভুতের তো মোটে ঐ ছোট্ট পাঠশালা, যেখানে সারারাত গলার হাড় তুলে ছানা ভুতদের অ এ অদ্ভুত ভীষন ভালো, আ এ আমভুত দেখতে কালো শিখিয়েও ঠিকমত বিড়ির পয়সাও জোটে না। তাহলে পালিয়ে বিয়ে করার পরে ভুতুরে সংসার চালাতে পারবে তো ওরা!
ভুত গম্ভীর। গভীর চিন্তায় মাথার খুলিতে টোকা মেরে চলেছে। আর পেত্নী একটানা খুনখুন করেই চলেছে।
এমন সময়- দড়াম…!
বাজ পড়লো শিমুল গাছে।
বাপরে বলে ওরা দুজন এ ওকে জড়িয়ে ধরলো।
তারপর…
কি আবার!
দুটো উদ্ভুতুরে ভুত মরে আরো দুটো বেচারা মানুষ জন্মালো।
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন