নারী, প্রত্যেক প্রেমিকের হৃদয় একেকটি ভলকানো। নির্ঘুম লাল চোখ তার জ্বালামুখ। চাইলেই
আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ ঢুড়ে তুমি পৌঁছে যেতে পারো গভীরে। ভূ-অভ্যন্তরে শুধু লাভা, তেল, গ্যাস,
আকরিকই থাকে না, দেখতে পাবে কুলুকুলু বয়ে যাওয়া স্রোত। চাপা পড়া সমুদ্র, জীবনের ফসিল।
সলতে
শীতল অনলে আমাদের কপাল পুড়ছে রোজ। কেউ জানলো না, কেউ বুঝল না। কাক-পক্ষীও টের পেল না। যারা পোড়ালো ও পুড়ল তারা ছাড়া। অথচ হুতোম পেঁচার দল এসে আলু পোড়া খেতে লাগল। এখন আমরা একই সাথে পুড়ছি ও পোড়াচ্ছি। বাহ! আমরাও তবে পোড়াতে পারি! আলু পুড়িয়ে পুড়িয়ে দক্ষ হয়ে একদিন এ জগত-সংসার পোড়াবো বৈকি! এ দহন বহন করে যাবো কতকাল? কি তার হিস্যে? কি তার মিরাস? আমরা কি পারব আমাদের অপত্যের গায়ে মেখে দিতে এক চিলতে আদুরে রোদ্দুর? নাকি অজান্তে, একান্ত অনিচ্ছায় কিংবা নিরুপায় হয়ে পরম্পরায় পৌঁছে দেব দহনের সলতে।
সিসিফাসের পাথর
তুমি পাশে ছিলে না তাই
ত্রস্ত পায়ে হেঁটেছি সেদিন বিকেলে রমনাতে।
কয়েকটি কাকের আড্ডা থেকে আবদার করেছিল
একটি কবিতা শোনাতে।
তুমিহীন কবিতা সে তো সিসিফাসের পাথর।
বাইপোলার
কোকিল বাইপোলারের প্রকৃষ্ট উদাহরণ। বসন্তে সে ম্যানিক দশায় থাকে। কুহুতে কুহুতে অতিষ্ঠ করে তোলে দিন-রাত। চ্যালেঞ্জ করলে বেড়ে যায় তার হাঁক-ডাক। এরপর বিষণ্ণতায় মজে যায় সারাবছর।
নেমেসিস
সবার সব শখ পূরণ হয়না।
যেমন আমার রোদচশমা পড়ার ইচ্ছে
কখনও পূরণ হয়নি মায়োপিক লেন্সের আশীর্বাদে।
একেই বলে নেমেসিস!