মানুষ দুইখান কান নিয়ে পৃথিবীতে আসে। একখান মুন্ডুর ডানদিকে (ছবিটাতে যেমন দেখছো)আর একখান বাঁদিকে। দুটো কানের ছবি দেখাতে গেলে মুন্ডু টাও দেখাতে হবে। মানে ঐ থোবড়াখান আর কি!! আমার সে ইচ্ছে নেই। তো বাইরের সব কথা ,শব্দ এই কান দিয়ে হৃদয়ে ঝাপটা মারে !!শুনি..উত্তর দিই। বেশ চলছিল। হায়ার সেকেন্ডারি পরীক্ষার সময় থেকে শুরু হোলো কানের অত্যাচার। চশমা উঠলো চোখে আর তার ডাঁটি দুখান দুকানে আটকে থাকলো। পেরথম্ পেরথম্ ঐ চশমা পরতাম না। কানের পাশে বড্ড লাগতো। পাওয়ার গেল বেড়ে!!এখন তরকারী তে ফোড়ন দিতে কানে আর নাকে ফিট করতে হয় চশমা।
উরিত্তারা!! মেয়েগুলো ঐ কানে দশটা ফুটো করে দুল পরে গা!! আমার তো কিছু মালুম হবার আগেই সেই পর্ব সমাধা হয়েছে। ফলে বেগ পাইনি। কিন্তু ফাইবার লেন্স নিয়েও কানের পাশে লাগে। এরপর এলো গোদের ওপর বিষফোঁড়া। মাস্ক। প্রথম প্রথম তো মাথায় কানের নীচে আর ওপর দিয়ে দড়ি দিয়ে মাস্ক বেরোয়নি!!ঐ চশমার ডাঁটির সঙ্গেই সহাবস্থান করছিলো। ইলাস্টিকের জ্বালায় রাতে শোবার আগে মুখে কিরিম্ না লাগালেও কানের পাশে নিওসপরিন্ বা ব্লা ব্লা ব্লা। আবার নাসিকা ফুটোও মাস্কের মধ্যে। কেলেঙ্কারি বলবো না তো কি আ্যঁ!! রাস্তায় বেরোলে চশমার কাঁচ ঝাপসা। কত কিলোবার যে ধাক্কা খেয়েছি সে দুঃখের কথা আর বললাম না। কি সব অমৃত বাণী!”চারচোখেও দেখতে পান না!! চোখের মাথা খেয়েছে”।কর্ণপটহ দিয়ে সবই হৃদয়ের অন্তঃস্হলে পৌঁছচ্ছে। আই হ্যাভ এ গভীর প্রশ্ন। মাছের মাথা খেতে ভালোই লাগে। কিন্তু চোখের মাথা??? কেমন স্বাদ,বর্ণ,গন্ধ গো??
এই মর্কট করোনা কালে কানের সৌন্দর্য নষ্ট। একটা ভালো দুল পরবো তা হবার নয়। ঠিক ওপরেই দড়ি(বা ইলাষ্টিক্)কানও যদি ময়লা ঢুকিয়ে না শোনার ভান করে তাহলে ইএনটি র কাছে নাম লেখাতে হবে। কেলেঙ্কারি নয়? শুধু করোনা করোনা করলেই চলবে?সাধের কি আর অনেকে দাড়িতে বা নাল পরা বিফ(যেটা ছোটবেলায় বাঁধা হোত) সেইভাবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে?
এক্কেরে কেলো কি কীর্তি। আবার সব ম্যাচ্ করে পরছে। পরো পরো পরো পরো,পরে যাও। তুমি ও জানো না আমি ও জানি না কতদিন এ পরা ভীষন পরা….. চলছে.. চলবে।