প্রবাসী ছন্দে তপন কুমার তপু (বাংলাদেশ)

হিতৈষী
প্রবীণ হিতৈষী তাঁর পদচিহ্ন এঁকেছিল ভূপৃষ্টে একদিন- উজ্জ্বল প্রাণের সমুদ্রে,
এখন সেই সুদৃঢ় পদচিহ্নের অস্থিত নেই- মুছে গেছে নতুন পদচিহ্নে ভরা মাটির পরে
নতুন পদচিহ্ন গুলো- ফুলের মত হাসছে তারই হেঁটে যাওয়া পথে পৃথিবীর উপরে।
ধূলোর পরে-জীবনের রোদে জাগ্রত স্বপ্নে ভরা চিহ্নে, চিহ্ন এঁকে প্রাণের কিনারে ।।
নদী ও ঢেউ- জলের ছিদ্রে ছিদ্রে স্রোতের আবেগে আবেগে ভেসে যায়,
ইতিহাস ভেঙে- নতুন ইতিহাসের শেষ সূচক শেষ মোহনায়,,
প্রাণের মৃত্তিকায়- উন্মেষের উন্মাদনায়,উন্মোচনের গভীর মমতায়-
হৃদয় বিবর্ন- ইতিহাস- জীবন নক্ষত্র চিহ্ন বারবার নিঃস্প্রদীপ হয়।।
সে ছিল রৌদ্র ও আকাশের মত- স্বপ্ন ও প্রতিশ্রুতির পরিপূর্ণ উজ্জ্বলতা,
সূর্য্যাস্ত ও সন্ধ্যার.মত- রৌদ্রের প্রতিভা ভরা অপুর্ব পুবের আকাশ,,
সৃষ্টির হৃদয় জুড়ে- সে ছিল অনন্ত জগতের মানব চিহ্নের পূর্বাভাষ।
তাঁর পদচিহ্ন এঁকেছিল বলেই- এজগতে চিনেছিল আমায়,এ মানব সভ্যতা।।