কবিতায় তপন মন্ডল

জ্ঞানচক্ষু
সজারুর কাটার মত তীক্ষ্ণ সূচালো
হৃদয় ভেদি শাসন দন্ডে লোকায়তের নাভিশ্বাস।
ঘুমেরা পাড়ি দিয়েছে কোনও এক অজানা রহস্যের দেশে।
স্বপ্নেরা ভিমরী খায় মনের অন্ধ কক্ষে,,,,,,,,,
পিতৃ ভিটেমাটি যা কিছু ছিল তা
ভেড়ীর বাঁধের বাঁধনে
অসহ্য জীবন যন্ত্রণায় দিশেহারা।
দলিল দস্তাবেজ রক্ষকের আলমারির ছোট্ট অন্ধ কারাগারে বন্দী।
আসলে হুমকির কাছেই যে সবাই মাথা নত!
সম্রাটের বাগানবাড়িতে মুঘল আমলীয় বাইজির
ঘুঙুরের নাচের বেসুরো তালে,
রাত্রি হারায় তার নির্জনতা ছন্দ।
নির্লজ্জ মাতাল সভাসদ সুরার নেশায় বুদ।
নারীর মর্যাদায় কলঙ্কের ছিটে!
সুশ্রী গৃহবধূর ভয়াতুর আতঙ্কিত যন্ত্রণার গোঙানি
মিশে একাকার আঁধার রাতের ঝিঁঝিঁ পোকার তীব্র সংগীতে।
শিশু ,যুবক, বৃদ্ধ জানে না কবে হবে যুগান্তর!
হঠাৎই কন্ঠ ভরা সম্মিলিত ভীষণ প্রতিবাদ!
জনগণ যে প্রচন্ড ক্ষুব্ধ!
কারণ,আজ তাদের খুলেছে জ্ঞানচক্ষু।
আমলাদের মেরুদন্ডে হয়েছে আঘাত।
আজ নেই সম্রাট, নেই তার শাসন!
ফেরার সে অন্ধ গলিতে!
কেটেছে ভীতি।
স্বপ্নরা আজ মনের সুন্দর ফুলের বাগানে আহ্লাদে মেতে।