কবিতায় শম্পা সামন্ত

নকল সভ্যতা
স্বপ্নের ভিতর বিপথগামী কয়েকটা নদী।
আর স্রোতে ভাসিয়েছি কিছু ডিঙিগান।
যেখানে সাথে করে নিয়ে যায় অজস্র যুবক বয়স।
আমরা এতদিন সাঁতার শিখিনি।
তবুও অনন্ত স্রোতে কেটেছি সাঁতার।
পাহাড় থেকে ঝাঁপ দিয়েছি উত্তুঙ্গ সমুদ্রে।
আর জলকেলি সেরে চুমু খেল সমুদ্রচিল।
ঝড় ওঠে, মাঝ দরিয়ায়।
প্রতিটা ঢেউ এসে পালটে নেয় জীবনের মানে।
প্রেম, যশ অর্থবোঝাই ডিঙি ওল্টায় একদিন।
সভ্যতা এগোয়।
অথচ সভ্য হয়নি এমন মানুষের জন্য প্রার্থণা রাতদিন।
সভ্যতা যুগ পরিবর্তন করে।
কাচের টুকরোর মতো স্বছ পাখি ডাকে।
পাখির চোখের আয়নায় দোলে জীবন্ত মুখ।
এ আমার মুখের আদল নয়।
জলের দিকে তাকাই।
সমস্ত প্রতিচ্ছবি পুড়ে যায়, নকল সভ্যতা আগুনে।