কবিতায় শান্তনু প্রধান

মাতাল সখাকে বলি
মানুষের পাশে ছায়ার মতো বারোমাস
আলো ও অন্ধকারে বসে থাকে বিশ্বস্ত মৃত্যু
তার রং কিংবা বর্ণ আমরা কেউ জানি না বলে
অসংখ্য উনুন ধরেছে নদীর তীরে
আমি যদি বলি তুমি পাহাড়
কি ভাবে তবে স্থান নাও সমুদ্রফেনায়
আমি জানি দৃশ্য নয়
কপালে চরে বেড়ানো উপোসি জোনাকি
অমরত্বের প্রত্যাশা নিয়ে কখনো ঝাঁপ দেবে না
পরিণত ফেনায় কিংবা
ডিজিটাল ক্যানভাস জুড়ে থাকা অমাবস্যায়
হয়তো তাই প্রতিটি ঘুমন্ত শরীরের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও
একধরনের শাদা পোকা ঢুকে পড়েছে নির্বোধের মতো
আজ সময়ের সঙ্গে হাতে নেমে এলো
একখণ্ড ধারালো প্রতিযোগিতা
স্নান ঘর থেকে বেরোনোর আগেই ভেঙে যাচ্ছে শালীন শরীর
স্তব্ধপাথরের শতাংশ জুড়ে রোদচশমা পরে
দাঁড়িয়ে আছে মৃত্যুর ছায়া
আর একটি গুরুত্বপূর্ণ মেঘ সমুদ্রযুদ্ধে যাওয়ার আগে ঢেউয়ের ঘর্ষণে
সারাটাদিন তোমাকে বৃষ্টি করে রখেছে
আমিও সেই অন্ধসভায় প্রার্থনা রত
ঘরে ফেরার কোন তাড়া নেই
মৃত্যুও বসে আছে আমার পাশে