কর্ণফুলির গল্প বলা সাপ্তাহিক ধারাবাহিকে সৈয়দ মিজানুর রহমান (পর্ব – ২০)
by
·
Published
· Updated
অনন্ত – অন্তরা
তুমি আসো না কেন তাই করেছিলাম, তুমি জানো না তোমাকে না দেখলে তোমার আদর পাই না, তুমি আদর না করলে আমার ভালো লাগেনা – তুমি না আমার আদরমা !!!!!
হ্যাগো হ্যাঁ আমি তো তোমার আদরের আদরমা- তুমি সকালে নাস্তে করেছো? মাথা নেড়ে বলল না- এসো মা আমি তোমায় খাইয়ে দেই । টপ টপ করে আনন্দ চিত্তে সবটুকু নাস্তা খেতে খেতে কত নালিশ কত আবদার, সব বিচার দিব, পুতুল কিনে দেব আরও কতকি এতো দিনের জমানো কথা ফুলঝুরির মতো বলেই যাচ্ছে, তার আবদারের জায়গা একমাত্র আমি অন্য কারোর কাছে কিছু চাইবে না । চন্দ্রা মা আমার এবার তুমি একটু পড় তারপর খেলা করো আমি তোমার জন্য খেলনা নিয়ে বিকেলে আসব কেমন?
ঠিক আছে আদরমা –
কী লক্ষী আমার মা-মনিটা! এবার আমি আসি – টা টা
আদরমা টা টা – পুতুল নিয়ে আসবে কিন্তু !!!
হ্যা আমি নিয়ে আসবো ——- আসি মা আমার ।
আবার কল করলাম এবার করার সাথে ধরলো- এই তুই সেলফোন অফ রেখেছিলি কেন?
তোর কাছে কি কৈফিয়ত দিতে হবে নাকি? তুই যে সেলফোন অফ রেখেছিলি গত রাতে আমি কিছু বলেছি? তাহলে তুই ভাব নিচ্ছিস কেন ?
সেতো রাত ছিল – এটাতো দিনের বেলা ব্যবধান আছেন না?
হ্যাঁ ব্যবধান তো আছেই আমাদের কোন সমস্যা হলে বা কারোর কোন emergency হলে তোকে খুঁজে পাওয়া যাবে না তাইতো?
বুঝেছি আমাকে একটা ছবক দিলি উকিল সাহেবা, ঠিক আছে emergency হলে শুধু কল allow অন্যথায় বিপদ আছে বলে রাখলাম ।
হইছে এবার থাম, সে দেখা যাবে, তুই সেলফোন অফ রাখবি না এটা ফাইনাল । এবার বল কী হয়েছে ফোন করেছিলি কেন ?
আন্টি বলেনি?
না, বলল তোকে ফোন করে নিতে-
ইস! শুধু শুধু বকবক করলাম- শোন আমি আজ তোর সাথে যাচ্ছি না, কারণ মামা ম্যাসেজ পাঠিয়ে আজ DHL এ যেন একবার খোঁজ নেই, তাই আমি ওখানে যাব। একটু ধর, এইমাত্র একটি ম্যাসেজ এসছে, ইয়া—-হু – সন্ধ্যা আমার সেলফোন এখন DHL অফিসে, আমি যাচ্ছি তুই সাবধানে যাবি কিন্তু—বাই ।