কর্ণফুলির গল্প বলা সাপ্তাহিক ধারাবাহিকে সৈয়দ মিজানুর রহমান (পর্ব – ১১)
by
·
Published
· Updated
অনন্ত – অন্তরা
তুলে দিতেই আনন্দের বন্যা বয়ে গেল । এরপর সবাই মিলে কেক খাওয়া হলো – বিদায়ের পালা – অপূর্ব ঘন আনন্দ মুহূর্তে বিদায় নিলাম অব্যক্ত ভাললাগার মধ্যদিয়ে ।
অনন্ত তাড়াতাড়ি চল গাড়ি নিচে ওয়েট করছে
মানে?
হ্যাঁ- তাড়াতাড়ি চল-
ওকে চল – নিচে নেমে আমি কোন গাড়ি দেখছি না – সন্ধ্যা কোথায় তোর গাড়ি?
আমার গাড়ি মানে উবার থেকে ডেকেছি-
কী উবার? ওকে তুই যা আমি যাব না । তোর পছন্দ না উবার- তাই তুই উবার ডাকিস নাই,
বলেছিলি না?
হ্যাঁ বলেছিলাম তাতে কি হয়েছে? এখন পছন্দ- এখন যাব ।
ভালো তোর পছন্দ তুই যা আমি যাব না-
এই ফাজলামো করবি না তাড়াতাড়ি গাড়িতে ওঠ, গাড়ী ভাড়া বাড়ছে কিন্তু ।
তুই দিয়ে দিবি আমার সমস্যা কী ?
শোন গাধা – আমার পছন্দ না কথাটা একদম তোর ক্ষেত্রে ঠিক কিন্তু এখন রাত বেশ হয়েছে আমাদের নিরাপত্তার জন্য উবার ডেকেছি । কোন কথা না বলে গাড়িতে ওঠ(বলেই আমার হাত ধরে টেনে গাড়ির দিকে নিতে চাইলো)-
ঠিক আছে টানাটানি করতে হবে আমি উঠছি গাড়িতে । গাড়ি চলতে শুরু করল-
রিং টোন বেজে উঠতে- হ্যালো মা আমরা গাড়িতে আধাঘন্টা লাগবে চিন্তা করনা বলেই লাইন কেটে দিলো সন্ধ্যা ।এমন সারপ্রাইজড দিলি ! আমিতো ভাবতেই পারিনি- অবাক করা কান্ড ঘটালি আজ! যা ভুলার না কোনদিন ।
থাক থাক আর গদগদ হওয়া লাগবে না – কিন্তু আমার প্রশ্ন আছে- তুমি সকালে মন খারাপ করে ছিলি কেন? সেটা বল আগে ?