মহামারী মৃত্যবীজকে কুচি কুচি আয়না
নাকি পেঁজা তুলোর মত দু হাতে ছড়িয়ে চলেছে
সংগে ছড়াচ্ছে ভয়
সেই যে দাঁতাল কুকুরকে সাথে নিয়ে জাল হাতে মার
তাড়া করে চলেছে মানুষ নামক প্রাণীদের
সে-ই
তার ত্রিশূলের সামনে আর্তনাদ করে ছুটে চলেছে
স্বজন হারানো প্রাণ, পালে পালে
সূর্য ঢাকা পড়েছে বলয়গ্রাসে
সবাই বলছে পালাও পালাও
হে আলো হে পাবকশিখা
আমি দু হাতের অঞ্জলিতে
তোমায় বুকের কাছে ধরে ধীরে রাস্তা হাঁটছি
পিছন থেকে দৌড়ে ধাক্কা মেরে ছুটে চলেছে যারা
বলছি থামো। শ্বাস নাও।
মাভৈ।
একে জিতে যেতে দিও না।
মৃত্যু ত রোজ সকালে গুড মর্নিং আর রাতে সুইট ড্রিমস বলে যায়
নতুন আর কি জানাবে
প্রেমপীরিতি
কুমিরডাঙা খেলার কুমির ও
চিরকালই আশায় থাকে
জলে পড়লেই টুপ করে গিলে নেবে
যদি খেলা ছেড়ে যেতেই হয় রাজকীয় বিদায় নেব না?
ভিখিরির মত যাব নাকি ?
দাঁড়াও।
জীবনের ঋতুর সাথে বুকচেরা প্রেমের সঙ্গেও
যত কথা যত চুমু যত কানে কানে খুনসুটি
সব সেরে নাও সুরে ভেসে
বলে ফেলো যা যা রইল গুপ্তধন একান্ত লুকোনো
সেই যে আদর করা তোলা ছিল
সে আসেনি বলে
মুচকি হাসির ছলে মনে মনে
চোখ মুছে ফেলা
সব কিছু পেটিকায় ভরে
দিয়ে যাও জীবনের হাতে
তারপর মরণকে বল
কে পাত্তা দেয় তোকে
কিচ্ছু নিতে পারবি না আর
জীবনকে সর্বস্ব দিয়েছি।