সাপ্তাহিক ধারাবাহিকে সুদীপ ঘোষাল (অন্তিম পর্ব)

কল্পবিজ্ঞানের গল্প
ইউরেকা ইউরেনাস
গল্প প্রায়শই শোনা যায়। এই সকল বিবরণীতে ভূতকে নানাভাবে বর্ণনা করা হয়েছে: কখন অদৃশ্য বা অস্বচ্ছ বায়বীয় সত্ত্বায়, কখনও বা বাস্তবসম্মত সপ্রাণ মানুষ বা জীবের আকারে। প্রেতাত্মার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে ভবিষ্যদ্বাণী করার বিদ্যাকে কালাজাদু বলা হয়ে থাকে।প্রাক-শিক্ষিত সংস্কৃতিগুলোর মধ্যে ভূতের প্রথম বিবরণ পাওয়া যায়। সেযুগে কিছু নির্দিষ্ট ধর্মীয় প্রথা, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া, ভূত-তাড়ানো অনুষ্ঠান ও জাদু অনুষ্ঠান আয়োজিত হত মৃতের আত্মাকে তুষ্ট করার জন্য। প্রচলিত বর্ণনা অনুযায়ী, ভূতেরা একা থাকে, তারা নির্দিষ্ট কিছু ঘুরে বেড়ায়, জীবদ্দশায় যেসকল বস্তু বা ব্যক্তির সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ছিল সেগুলিকে বা তাদের তাড়া করে ফেরে। তবে ভূত বাহিনী, এমনকি ভৌতিক জীবজন্তুর কথাও শোনা যায়।
নাটুবাবু বললেন, মৃত্যুর মধ্য দিয়ে আত্মা দেহত্যাগ করে। জীবাত্মা অবিনশ্বর। তবে কখনো কখনো জীবিত সামনে আকার ধারন করে। এটি পূরাণভিত্তিক একটি আধিভৌতিক বা অতিলৌকিক জনবিশ্বাস। প্রেতাত্মা বলতে মৃত ব্যক্তির প্রেরিত আত্মাকে বোঝায় ।সাধারণের বিশ্বাস কোনো ব্যক্তির যদি খুন বা অপমৃত্যু(যেমন: সড়ক দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা ইত্যাদি) হয় তবে মৃত্যুর পরে তার হত্যার প্রতিশোধের জন্য প্রেতাত্মা প্রেরিত হয় । বিভিন্ন ধরনের রয়েছে এ সম্পর্কে ।
সুমন্তবাবু বললেন, বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতিতে ভূতের অস্তিত্ব বিশ্বাস করা হয়। আবার কিছু ধর্মে করা হয় না, যেমন ইসলাম বা ইহুদী ধর্মে। এসব ধর্মাবলম্বীদের মতে মানুষের মৃত্যুর পর তার আত্মা চিরস্থায়ীভাবে পরলোকগমন করে আর ইহলোকে ফিরে আসে না।
কিন্তু আজকের ভূত হল একটা সামান্য চোর। সে ভয় দেখাত সবাইকে। তবে ও আরেকটা ভূতের কথা বলল। তোতন বলল, আমার মনে হয় ওটা এলিয়েন। ওরা পৃথিবী দেখতে আসে আবার চলেও যায়।
নাটুবাবু বললেন, তাহলে বলছেন অন্য গ্রহেও প্রাণ আছে?
সুমন্ত বাবুই সারাইনোডু বাবুকে চুপ করতে বললেন তারপর তিনজনই বেরিয়ে গেলেন চুপিচুপি জঙ্গলের ভেতর জঙ্গলের ভেতর তারা বসে থাকলেন মশা কামড় খেয়েও তারা প্রায় দু’ঘণ্টা বসে থাকলেন তারপর জঙ্গলে একটা ছায়ামূর্তি দেখলেন দেখলেন সেই ইউরেনাস গ্রহ থেকে আসা এলিয়েন সে জিজ্ঞেস করছে তোমরা জঙ্গলে কি করছো তখন সুমন্ত অবশ করে বললেন আপনাকে দেখার জন্যই আমরা বসে আছি এলিয়েন বললেন আমরা বেশিক্ষণ পৃথিবীতে থাকি না শুধু কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণ করেই আমাদের মহাকাশযানে চলে যায় আচ্ছা তোমরা ভালো থেকো।
এতক্ষণ নাটুবাবু কোন কথা বলেন নি। চুপ করে ছিলেন। এবার তিনি চিৎকার করলেন, ইউরেকা ইউরেকা। সুমন্তবাবু বললেন, ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে অ্যামেরিকান জোত্যির্বিজ্ঞানী পারিসভাল লোয়েল ভেবেছিলেন যে তিনি মঙ্গলের পৃষ্ঠে একটি খাল বয়ে যেতে দেখেছেন।সেখান থেকেই তিনি ধারণা করেছিলেন যে পৃথিবীর প্রতিবেশী এই গ্রহে শুধু প্রাণের অস্তিত্বই নয়, সেখানে হয়তো অগ্রসর এক সভ্যতাও থাকতে পারে।তখনই মানুষের কল্পনা আরো পাখা মেলতে শুরু করে। এইচ জি ওয়েলস লিখে ফেলেন তার বিখ্যাত উপন্যাস- দ্যা ওয়ার অব দা ওয়ার্ল্ডস।এছাড়াও বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে হলিউডের বহু সিনেমা।কিন্তু এই কল্পনায় জল ঢেলে দেয় মঙ্গল গ্রহ অভিমুখে পাঠানো কয়েকটি মহাকাশ যান।৬০ ও ৭০ এর দশকের এসব অভিযান থেকে ধারণা হতে থাকে থাকে যে মঙ্গলে কোনো অস্তিত্ব নেই খালের।তারপর ভাইকিং ল্যান্ডার থেকে ওই গ্রহের প্রথম ছবি পাঠানো হয় পৃথিবীতে। বিজ্ঞানীরা তখন মনে করলেন এটি অত্যন্ত ঠাণ্ডা একটি গ্রহ।ওখান থেকে পাঠানো হয় মাটির নমুনা। প্রথমে ধারণা করা হয়েছিলো প্রাণেরও নমুনা আছে ওখানে কিন্তু পরে সেটাও বাতিল হয়ে যায়।ফলে গত দুই দশক ধরে মঙ্গল গ্রহ সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন- এটি শুকনো, ধূলিময় লাল একটি গ্রহ।তারপর নব্বই এর দশকে এবং একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকে ওই আরো বেশ কয়েকটি মিশন পরিচালিত হয়।সেখান থেকে যেসব তথ্য পাঠানো হয় সেখান থেকে বিজ্ঞানীরা এটা ধারণা করতে শুরু করেন যে ওই গ্রহের কোথাও কোথাও উপরিপৃষ্ঠের নিচে হয়তো বরফ থাকতে পারে। তারপর ধারণা করা হলো সেখানে কোনো এক কালে পানির প্রবাহ ছিলো। ছিলো হ্রদ, এমনকি সমুদ্রও ছিলো।কিন্তু মঙ্গলে তখন এমন এক বিপর্যয় ঘটলো, যা বিজ্ঞানীরা আজও বের করতে পারেনি, যে ওই গ্রহটির জল ও পরিবেশ ধ্বংস হয়ে গেলো।কিন্তু গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীরা তাদের নাটকীয় এক আবিষ্কারের খবর ঘোষণা করলেন মঙ্গলে আছে তরল পানির প্রবাহ।নাসা বলছে, “মঙ্গল গ্রহে তরলের অস্তিত্ব আছে বলে আমরা এই প্রথমবারের মতো প্রমাণ পেয়েছি। ওই গ্রহে আমরা এমন কিছু খুঁজে পেয়েছি যেটা থেকে স্পষ্ট যে আজকের মঙ্গল গ্রহে জল প্রবাহ আছে। বছরের পর বছর ধরে ওই গ্রহে যতো মহাকাশ যান, যতো মিশন পাঠানো হয়েছে, যেসব তথ্য ও ছবি পাওয়া গেছে, সেসব থেকে তরলের ব্যাপারে আন্দাজ করা গিয়েছিলো। তাহলে প্রাণী থাকাও আশ্চর্যকথা নয়।
তোতন বলল, মানুষ নিজেই নিজের ক্ষতি করছে, আজ পর্যন্ত সেসবের পক্ষে কোনো প্রমাণ ছিলো না।”ব্যবহারের পর যে প্লাস্টিক আমরা ছুড়ে ফেলছি সেটা সমুদ্রে যে খাদ্যচক্র আছে তাকে বিনষ্ট করছে।বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্লাস্টিকের বোতল ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে সমুদ্রে আর সেসব প্লাস্টিক সামুদ্রিক প্রাণীর জন্যে বড়ো রকমের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।ইংল্যান্ডের প্লেমাউথ ম্যারিন ল্যাবরেটরি একটি গবেষণা করে দেখিয়েছে, প্লাস্টিকের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণা যখন পানির সাথে মিশে যায়, খাদ্যচক্রের একবারে তলদেশে থাকা প্রাণীরা এসব গলাধঃকরণ করে থাকে।ধারণা করা হয়, প্রতি বছর ৮০ লাখ টন প্লাস্টিক দ্রব্য সাগরে ফেলা হয়।এলিয়েন বলেছিল,মানুষ তোমরা সাবধান হও। তা না হলে ধ্বংস হয়ে যাবে পৃথিবীর অস্তিত্ব।