বারবার ভেঙে যাচ্ছে ঘুম,অদ্ভুত আশ্চর্য সেই সুর,যার পরশে ধমনীতে বাসা বাঁধে প্রেম,যার ছোঁয়ায় চাঁদ নেমে আসে কলঙ্কের যাপন সঙ্গীত গাইবে বলে,রাতের গভীরতা যত বাড়ে ততই অষ্টাদশী গাছেরা কালো নিবিড় বাসরশয্যা রচনা করে,পাতার শরীরী ভাষায় রচনা হয় কাব্য,
সুরের মূর্ছনা মাতাল আবেশ তৈরি করে নষ্টগদ্য রচনা করবে বলে
কিছুই কোথাও নেই যদি সেই সুর তবে কন্ঠে ধারণ করলে
আকাশ রঙের ত্বকে অমৃত ক্ষরণ হয়না কেন!
বিষের বাঁশীর ঢেউ উদলে উপকূলে আছড়ায়,
মরণ তবুও আসেনা নাগপাশে,
শুকিয়ে যাওয়া ফুল ঝরে থাকে নিকানো উঠানে
ছাতিমতলায় অপেক্ষায় থাকে
যুগল ,
নাভিকুন্ড ফেটে জন্ম নেয় বিপন্নতা,
আদিম ইতিহাস মহেঞ্জোদরো খুঁড়ে শিলালিপি বের করে যার অক্ষরে শুধু ছবিচিত্র,
সেখানেই বাঁশী হাতে কালের কথক দাঁড়িয়ে থাকে,
যাকিছু দেওয়া নেওয়ার পালা ছিল তা ফুরিয়ে গেলে ধরিত্রী দুভাগ হয়,
পাতাল প্রবেশে সীতাই শুধু চিরকালীন সত্য বাকিটা হৃদয়হীন ব্যাথাচরিত………