সম্পাদকীয়

একটা ভূতের রাজা আর তিনটে বর

ছোটবেলায় দাদু বলতো আমি বড়ো হলে ভূতের রাজা তিনটে বর দেবে আমাকে, এখনো সেই আশায় বসে আছি, কিন্ত কোনো বর পেলাম না। দাদুকে একদিন জিজ্ঞেস করলাম, আমাকে রাজা বর দিলো না কেন? দাদু বললো আমি তিনটের জায়গায় একাধিক বর পেয়েছি। বাবা-মা এখন আমার সাথে সারাদিন থাকে, স্কুল অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ, কোনো হোম-টাস্ক করতে হচ্ছে না, আমি সারাদিন বাড়িতে থাকি আর বাবা-মাকে বিরক্ত করি। সর্বোপরি, বাবা এখন আমাকে কিছু বলে না, খালি আদর করে আর আমাকে নিয়ে রোজ বিকেলে ছাদে ঘুরতে যায়। আসলে আগে বাবা অফিস থেকে ফিরে আমাকে সময় দিতো না, আর সারাদিন চিন্তা করতো টাকা, লোন আরো কত কিছু। এখন সে সব কিছু নেই, ব্যাঙ্কের কাকুরা এখন অনবরত ফোনও করে না।
কিন্ত আমার বন্ধুদের কি হবে? আমার স্কুলের ঘন্টা বাজানোর কাকুকে খুব মনে পড়ে, রোজ আমাদের আইসক্রিম, আচার অথবা চকলেট দিতো। রাজামশাই, আমার কোনো বর চাই না, আমার এবার গুপী-বাঘাকে চাই, যারা এসে সবাইকে কোরোনা থেকে মুক্ত করবে, দেখাবে আমাদের সেইই নীলাকাশ। আমরা ফিরে পাবো আমাদের পুরোনো শৈশব। তোমরাও আমার সাথে থেকো, গুপী-বাঘার সাথে দেখা হলে টেকটাচটকে আমি তোমাদের অবশ্যই জানাবো।
আমরা সাহিত্য হৈচৈ-এ প্রত্যেক শনিবার নিয়ে আসছি গুপী-বাঘা-ভূতের রাজা-দিলো-বর ম্যাজিক। ছোট্ট বন্ধুদের জন্যে তো অবশ্যই, আর সব্বাই যারা যারা ছোট্টবেলাগুলোকে আবার ফিরে পেতে চাও। তোমাদের গল্প, বায়না, কবিতা, আঁকা, ভালোলাগা, মন্দলাগা, দুষ্টুমি সবকিছুর জন্যে আছি আমরা টীম টেকটাচটক শনিবারের ‘হৈচৈ’ নিয়ে।
মেইল করো: sreesup@gmail.com
techtouchtalk@gmail.com

শ্রীতন্বী চক্রবর্তী

Spread the love

You may also like...

error: Content is protected !!