ফার্স্ট স্টপ

কল্পলোক না হয়, গল্পলোক

সবে সন্ধে শেষ, রাতের হামাগুড়ি। কফিটা ঠাণ্ডা হয়েছে কখন সেটা বোঝার আগেই মুখময় চুমুতে ভরে গেলো। কারা চুমু দিলো? আয়না থেকে তখনও অনেকগুলো ঠোঁট বেরিয়ে আসছে। ক্যাও ক্যাও করতে করতে হঠাৎই একটা অলক্ষুণে এম্বুলেন্স হুস করে চলে গেলো। আমার শব্দের সব অশ্লীলতা কান ধরে উঠ বোস করতে করতে আমার ঘাম হয়ে ঝরে পড়ছে -৪° টেম্পারেচার এ। যে কেউ মাঝরাতে উঠে বসে ভাবতেই পারে সে মর্গে শুয়ে আছে। ঠোঁটের প্রতি মাত্রাতিরিক্ত ফ্যাসিনেশন থাকার জন্য আমার কল্পলোক প্রশ্রয় দিয়েছে, আস্কারা দিয়েছে আর শেষে আশ্রয় দিয়ে আরতি করিয়েছে কামনার কামাল কালিতে ডোবানো সলতের প্রদীপ দিয়ে। এভাবেই ভোর হয়ে যায় রোজ। ভোরের দিকেই ঘুম গাঢ় হয়। মঙ্গলারতি দেখা হয়না কোনোদিন। তার অনেক পরে ঘুম থেকে উঠি। সকালের কফিটা ঠাণ্ডা হওয়ার সুযোগ পায় না। মাথা ধরাটা রোজকার অভ্যাস, ওই হ্যাংওভার আর কী। রোজরোজ জেনে ফেলি যেটা এবং অবশ্যই এটা সত্যি যে চুমুতে নেশা হয় যদি ঠোঁট বায়বীয় হয়

শাল্যদানী

ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।