সম্পাদকীয়

চারিদিকে প্রেম থই থই। কোভিডকে অবশেষে কাঁচকলা দেখাতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ সবাই।
সুতরাং, আধুনিক প্রাচীন সব রকম প্রেমের স্রোত দেখতে পাচ্ছি।
বসন্ত আর ভালবাসা
সবুজ কুঁড়ি—
অল্প গরম —
মিষ্টি ছোঁয়া —
চুপ শিহরণ —
শান্ত চুমু–
অস্থির শ্বাস —
নতুন রোদের —
লাল সে পলাশ —
পলাশ প্রিয়া —
পঞ্চমী ভোর —
চাদর গায়ে —-
সোনার আখর —
বসন্ত পঞ্চমী আর রঙিন প্রেমের গল্প
চকোলেট বিকেলের তরুণী কথোপকথন কখন রাতে গড়িয়ে যায়। আগ্রহ, ভালো লাগার উসখুস, শুভেচ্ছা, হাসিখুশি বিনিময় তলানিতে ঠেকে ফাঁকা হোটেলের ঘরে এসে। কত আদর বাকি রয়ে গেল। খুচরো কথা। বুকে মাথা রেখে মিষ্টি চাউনি, খুনসুটি। আলতো স্পর্শ। আঙুলের, ঠোঁটের, উত্তাপ। রাত গড়াতে গড়াতে ভোর হয়ে যায় চাওয়া মেখে। মন খারাপ। মন খারাপ। অজানা ঝলমলে একটা মুখ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একেবারে অচেনা কাউকে। রাতের ক্লান্তি কখন ভোরের বারান্দায় শিমুল ফোটায় টকটকে রক্তের মত রঙ। বসন্ত এসে গেছে? আসে আজও? কাজ বন্ধ, ল্যাপটপ বিগড়েছে বলে। এ রকম ফাঁকা কখনো লাগেনি। ধ্যুত। কাজ বেশ সঙ্গ দিয়ে চলে। নইলে মনে পড়তে থাকে কোলের কাছে বুকের মধ্যে কে নেই যেন।
ভ্যালেন্টাইন, বসন্ত পঞ্চমী আর ভালবাসা
কিউপিড তুমি ভাবতে বসছ মানে
তীরের ফলায় স্টিকার সাঁটা ছবি
প্রেম পীরিতি চন্দ্রাহত মনে খুঁজছে প্রেমিক ইংরেজি ভৈরবী
কুয়াশা ফুল ফোটায় গোলাপ কুঁড়ি
শীতল আরাম বুকের মধ্যে নিলে
সমস্ত প্রাণ একটি চুম্বনেতে
সব নির্যাস আদর শ্বাসের মিলে
নিখুঁত জুটি রাজযোটক আর রঙ
নতুন ভোরে রাত জাগানি নেশা
বসন্ত ত বারে বারেই আসে
আবীর রাঙা ভালোবাসায় মেশা।