T3 || কালির আঁচড় পাতা ভরে, কালী মেয়ে এলো ঘরে || লিখেছেন রত্না দাস

হিমের রাতে ঐ গগনে
পাতা ঝরে ঝরে মাটির সাথে শুয়ে রইলো। বনে বনে পড়লো সাড়া, চল হেমন্তের গান গাই। ঝরে পড়া পাতায় লেখা থাকে দীর্ঘমেয়াদী শীতঘুম। হাল্কা ওম।
হৈমী বৈকাল। আকাশ প্রদীপ জ্বালানোর সময় হলো।
আলমারি থেকে বেরোচ্ছে পশমিনা, হাতে বোনা উলেন, অনুভবী শৈত্য শিরশিরে।
গাছের বাকল খসছে, জীর্ণ শরীর আবার নতুন হবে
বাসাংসী জীর্ণানি যথা বিহায়…
মৃত্যু লেখে আরেক জন্মের কথা—
কচি কিশলয় ভরে উঠবে নতুন গন্ধে, নতুন ছন্দে
গাঢ় রাতের জমা হিম উত্তাপ চাইবে।
মনের কাছাকাছি, দেহের পাশাপাশি
আবেগ সংপৃক্ত হয়ে জড়িয়ে রাখবে মোহপাশে।
ছুঁয়ে থাকা হৈমন্তী কথায়,
বাজবে শীতের আগম বার্তা
খেজুর গাছের জিরান কাটে ম ম করা রস। উন্মনা সকাল
ভোরের চোখ জুড়ে ঘুম। খুলতে চায় না। মিষ্টি স্বপ্নেরা পাতায় বসে আছে।
শুকনো পাতার নূপুর বাজিয়ে ঘূর্ণি হাওয়া দোল দিয়ে গেল
জলতরঙ্গের ঝিলমিল আওয়াজ
চারদিকে বাজছে সাঁজ, সুরবাহার
সেতারে আঙুল ছোঁয়ালেন আলি আকবর, রাগ হাম্বীর…