হৈচৈ ছড়ায় প্রবাহনীল দাস

ফোনটা কার আন্ডারে?
কিনতে আটা গণেশ ঠাকুর এসেছিলেন মগরা,
আমায় ডেকে বলেন, “জানিস, স্বর্গে বিশাল ঝগড়া?”
আমি বলি, “স্বর্গলোকে ঝগড়া করে কারা?”
ঠাকুর বলেন, “বলছি সবই, একটুখানি দাঁড়া।
সকালবেলা বিশ্বকর্মা বানাচ্ছিলেন লিস্টি:
কোন যন্ত্রের কোন মালিক-এ কী খাওয়াবে ফিস্টি –
‘পড়বে পুজো ইস্ত্রি, ফোন, যন্ত্র এবং যানে।’
‘ফোন’ কথাটা বিঁধল এসে সারদা’দির কানে।
লাফিয়ে উঠে বলল দিদি, ‘তোমার পুজোর দিনে,
ফোনে পুজো পড়বে কেন, কোনো কারণ বিনে?’
বিশ্বকর্মা বলেন, ‘কেন? ফোনও তো এক যন্ত্র।
তাই জন্যেই ফোনের পুজোয় শুনবে আমার মন্ত্র।’
দিদি বলে, ‘এ কোন পাগল! কিছুই কী নেই জানা?
ফোনে ফোনেই বিশ্ব জুড়ে চলছে পড়াশুনা।
এখন থেকে আমার পুজোয় বইয়ের সাথে সাথে
দেখতে পাবে এক সেলফোন সরস্বতীর হাতে।’”
বলি, “ঝগড়া চলছে, নাকি পড়ল তাতে কাটা?”
গণেশ বলেন, “জানি না, ভাই। দেখি গিয়ে, টা! টা!”