কাঁচের জানালার ভেতর থেকে পলিউশানে মোড়া
রাতের জোনাক শহর ঠিক যেন স্তব্ধ রূপকথা।
সারবদ্ধ গাড়িদের ছুটে চলা, নিঃসার কোলাহল,
নিয়ন বাতিস্তম্ভের আবছা আলোয় সজ্জিত
মায়াবী শহর যেন ফিসফিসিয়ে বলে,
“পথিক একটু জিরোও, কিছু তো বল….।”
কোন এক রাতপরী নির্ঘুম টহল দেয়
এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত….
তার ডানায় লেখা থাকে ধুলোমাখা জটিল শহরের
রাত্রিকালীন নিভৃত আলাপন।
সময়ের নির্বাসনে অস্থির মস্তিষ্ক মানুষটি
ফুটপাথের হ্যালোজেন আলো গায়ে মেখে
খুঁজে চলে তার ফেলে আসা অতীত।
চরাচর ব্যস্ত ঘনায়মান অন্ধকারে
নিদ্রাহীন কবি রাত্রির অনাস্বাদিত স্পর্শসুখে
লিখে চলেন ক্লান্তিহীন…..
কুহকিনী রাত্রি তার শীতল, মায়াবী মন্ত্রের
তুলি বুলিয়ে প্রস্ফুটিত করে তোলে
বিহ্বল কবির তৃতীয় নয়ন।
এক সময় যৌবনবতী রাত্রি সব অমানিশা
পরিত্যাগ করে স্পর্শ করে
ভোরের মালকোষ।