গদ্যানুশীলনে নক্ষত্র রায়
অবশেষে তর্নির সাথে দেখা হলো অনির্বাণের।
সেদিন বোলপুরে স্টেশন তাদের হঠাৎ দেখা হলো ।
অনির্বাণ,, জিজ্ঞেস করলো কেমন আছিস?
তর্নি ,,একটু হেসে বললো ভালো আছি আপনি কেমন আছেন? এখানে যে মেলায় নাকি?
অনির্বাণ . মেলা বলতে পারিস। একটু চেঞ্জ করতে এসেছি শরীর টা ঠিক নেই তহ তাই এখানে ঘুরতে এসেছি।
তুই কি মেলায় এসেছিস?
তর্নি,, হম ঘুরতে এসেছি কয়েকটা পেইন্টিং কিনলাম নতুন ঘরের জন্যে।
অনির্বাণ .. ওহ খুব ভালো তহ। আমি তেমন কিছুই কিনি নাই।কি আর কিনবো ভালো লাগছিলো না কিছু।
তর্নি,,, আপনি কি ছবি আঁকা একদম ছেড়ে দিলেন ?
অনির্বাণ ,,, আর বলিস না কাজের চাপে কিছুই আর হয়ে উঠে না।
তর্নি,,, বল্লাম যে আপনি আমার ছবিটা আমাকে কোনদিন দিলেন না ।
অনির্বাণ ,,চুপ করে রইলো কিছু ক্ষন তারপর বললো ছবিটা আমার কাছে থাকলে ক্ষতি কি?
তর্নি,, একটা কথা জিজ্ঞেস করবো?
অনির্বাণ কি?
তর্নি ..আপনি এখনো আমায় ভালোবাসেন ?আমার উপরে রাগ হয়না আপনার?
অনির্বাণ..( মুচকি হেসে বলল ,)নাহ! কিছু হয়না আমার শুধু ভালো বাসাটায় হয়।
তারপর তর্নির হাতে সে একটা পকেট থেকে বের করে চিরকুট দিল আর বলল সে চলে গেলে সেটা যেনো খুলে।
তারপর ট্রেন এলো অনির্বাণ উঠে বসলো ট্রেন এ। সে একবার দরজায় দিকে আসলো তর্নি সাথে শেষ কথা বলতে সে তর্নি কে বলল ভালো থাকিস রে । এবার আসি রে । ট্রেন টা আস্তে আস্তে ছেড়ে দিল । শেষ মেষ ট্রেন টি স্টেশন থেকে দুর চলে গেলো দেখতে দেখতে। তর্নি স্টেশনের একটা বেঞ্চে বসে সেই চিরকুট টি খুলল । তাতে লেখা আছে
“”কথা দিলাম এ জন্মের দূরত্ব পরের জন্মে ঘুচিয়ে দিবো'”
চিরকুট টি সে বুকে জড়িয়ে গুম হয়ে বসে থাকলো চোখ থেকে পড়ন্ত জল জানিয়ে দিল তার বিরহের কথা।