ও মেয়ে তুই কাঁদিস কেন? ও রে দুর্ভাগী কন্যা
নারী-মাংস লোলুপেরা সব করলো রক্ত-বন্যাা!
তোর মা কি মরেছে? মরেছে কি তোর শত শত মা ও বোন?
আমরা নেবো প্রতিশোধ আর করবো যে দংশন।
মহাকালীর মতন নৃত্য শুরু কর আর বল মাভৈঃ
নারী-মাংস লোভীরা সব যাবেই শ্মশানে, যাচ্ছে ঐ
অসুর-নিধন করলো যে কালী আমরা যে সব তাঁরই জাত
রক্তবীজের বংশ ধ্বংস, আমাদেরও আছে দশটি হাত।
এক হাতে হবে মুণ্ডচ্ছেদ, আর হাতে কুদৃষ্টি-লোপ
নারী-কামনা ভস্ম করবো, আগুন জ্বালাবে ত্রিনয়ন
আর সইবো না অন্যাচয় আর অত্যাচারের শব-মিছিল
পশুর রক্তে ধোয়াবো সে পাপ, রাজপথে হবে শোক-মিছিল।
রক্ষাকালীর জাত আমরা, ক্ষেপলে তোদের রক্ষে নেই
তোদেরই মুণ্ড মালা করে পরে উলঙ্গ নাচি ধেই তা ধেই।
আইন সে তো অন্ধ হয়েছে, শয়তান সব পায় রেহাই
রক্তবীজের বংশ ধ্বংস করতেই হবে, আয় সবাই।
নারীর শক্তি জানো না পুরুষ? কখনো লক্ষী সুধা বিলাই
কখনো আবার ঝাঁসীর রানীর মতন গর্বে ঘোড়া ছোটাই।
ও মেয়ে সব প্রতিজ্ঞা কর ঠোঁট রাঙ্গাবি না রঙ মেখে
ঠোঁট আর জিভ লাল করে নিবি নারীপিশাচদের খুণ চেখে।
ওরে নারী সব জেগে ওঠ আর মায়ের মন্ত্রে নে শপথ
আমরা দেখাবো বিশ্বকে আজ নতুন আইনের নতুন পথ।