কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে নিতাই চন্দ্র দাস

কবি
তুমি কবি পারো সবি
আঁক সমাজের প্রতিচ্ছবি
কন্ঠে সদাই প্রতিবাদী স্বর।
সমাজের অনিয়ম যত
চলিছে নিশিদিন অবিরত
কবির লেখনিতে হয় মুখর।।
পড়ে না সবার চোখে
যাহা ঘটে সম্মুখে
কবিকে পারেনা দিতে ফাঁকি।
নির্ভীক বিপ্লবী লিখনি
জেগে উঠে তখনি
জনতাকে তোলে ডাকি।।
সমাজে কোন দুর্নীতি হলে
কবির দীপ্ত লিখনি চলে
প্রকাশিত হয় কবিতার ছন্দে।
ঘুমন্ত নিরব জনতা
জেগে হয় একতা
প্রতিবাদে মুখর বজ্র নাদে।।
তরুণের উদ্যম তারুণ্য
সবার কাছে বরেণ্য
জ্বালে ভবিষ্যতের বর্তিকা।
কবির ক্ষুরধার লিখনি
তরুণদের জাগায় তখনি
চারদিকে ধ্বনিত তাদের কীর্তিকা।।
প্রকৃতির রূপ মাধুরী
বিস্তৃত ধরনি উপরি
ফুলে ফলে শস্যশ্যামলে।
নদীর কলকল ধ্বনি
পাখির সুমধুর রাগিনী
কবির ছন্দে উঠে দোলে।।
যে ছেলেটি রাস্তার ধারে
কেঁদে ফিরে অনাহারে
দেখার আছে কেবা।
কবির লিখনি চলে
মুক্তির কথা বলে
যাতে পায় সমাজের সেবা।।
প্রণয় বিষাদ গাথা
কত গোপন কথা
হৃদয় গভীরে থাকে সঞ্চিত।
কে জানিতো তার খবর
বেদনা ভরা অন্তর
কবি যদি প্রকাশ না করিত।।