কর্ণফুলির গল্প বলায় মোহাম্মদ শামীম মিয়া

ধূমপায়ী ভিক্ষুক

গত কয়েকটি আগে আমার জ্বর হয়েছিল, এরপর একে একে পরিবারের সবারই জ্বর ও ঠান্ডা লেগেছিল, কিছুতেই বিপদাপদ কাটছিলো না। এইজন্য মাঝে মধ্যে বিপদাপদ থেকে মুক্তির আশায় ও সাওয়াবের নিয়তে গরীব ও অসহায় মানুষকে দান করে থাকি সাধ্যমতো! গত পরশু আমার বাসার কাছে মেইন রাস্তার পাশে ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের প্রধান গেইটে একজন ভিক্ষুক বসে ভিক্ষা করছিলো তার একটা পা নেই, অনেক অনেক মায়া হলো তাই কিছু দান করলাম ওনাকে। ঐদিন ভিক্ষা করে ভিক্ষুক সন্ধ্যাবেলায় আমার বাসার পাশে একটি বিকাশের দোকানে গেলো, তার ঝুরি থেকে ভাংতি টাকা ও পয়সা গুণে গুণে দোকানদারকে দিচ্ছিলো কারণ সে ছেঁড়া টাকা ও পয়সা বদলিয়ে আস্ত নোট নিবে! দোকানদার গুণে গুণে তেরশ টাকা পেলো। ভিক্ষুক এরই ফাঁকে দশটি টাকা নিয়ে দোকান থেকে সিগারেট ধরিয়ে নিয়ে আসলো, মনের সুখে বিড়িতে সুখটান দিতে লাগলো! ভিক্ষুকের এইরকম অবস্থা দেখে বুঝতে পারলাম যে, সে আসলেই বিড়ি খোর ভিক্ষুক, আমি সহ অনেকেই দান করলাম নেক নিয়তে সাওয়াবের আশায় আর সেই দানের টাকায় দিন শেষে সন্ধ্যায় ভিক্ষুক বিড়ি টানে।
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।