আমার ভেতরে তুমি নেই। ধূ ধূ মাঠ, আকরিক ও লৌহ খনিজের দেশে, বনভূমির ভেতরে প্রবেশ করে দেখি, তুমি নেই। বল্গা হরিণগুলো শিং উঁচিয়ে গল্প করছে বার্চের লকলকে পাতাদের সাথে। প্রাণীদের স্বভাব এমন, নভেম্বরে মিলিত হবার দিন ফিরে এলে কেবল সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। প্রতিটি কামনা দগ্ধ লিরিকের পাশে ছড়িয়ে পড়ে ভস্মীভূত হবার স্মৃতি।
তারপর গোলাকার পৃথিবী। কেন্দ্রের বিপরীতে ঘুরছি। এক আলোকবর্ষ সমান কতো ট্রিলিয়ন কিলোমিটার, তোমার হাতের তালুতে একটা কমলালেবুর সহজ দৃশ্য, গড়িয়ে পড়ছে, তার গাঢ় রঙ দেখে ভাবি, এইসব সাদা সাদা জামরুদ পাথরের কান্নায় একটু করে জেগে উঠছিলে তুমি। যেনো নিতিয়ে যাওয়া একটা ফুল, সূর্যের আলোকরশ্নির সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে আর তার চিবুক থেকে ঘাম ঝরছে।
আমার বর্ণনায় তুমি এমন, তোমার পবিত্র মুখশ্রী, পবিত্র পুস্তকের উচ্চারণ শব্দে পৌঁছাতে পারি না, আমার পাপাত্মা আগরবাতির ধোঁয়ার মতো প্রদক্ষিণ করতে থাকে তোমার চতুর্দিক।