কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে মারুফ আহমেদ নয়ন

আমার ভ্রমণ পিপাসু মন
তোমার সন্ধানে নেমে পড়েছি পথে। জলের তলদেশে মুক্তা ও প্রবালের প্রাচীর৷ আমার ভ্রমণ পিপাসু মন যাত্রা করেছে অনির্দিষ্ট গন্তব্যে। যতদূর ছুঁয়ে যায় দৃষ্টির আগুন, ততদূর ভাঙ্গে বরফের ঘুম। ঝড়ে বিপর্যস্ত জাহাজ থেমে থাকে তটরেখার বালিতে। ভেবেছি, ডলফিনের সাঁতার দৃশ্যে আমিও তার সহোদর। ঘুমিয়ে ছিলাম পাথর খন্ডের উপর।
আমার ঘুম কেনো ভাঙ্গালে তুমি! স্বপ্নের ভেতর অনন্ত ঘুমে ডুবে ছিলাম। স্বর্ণ ও রৌপ্যের কাঠিতে। গুপ্তধনে বুঝি পাহারাদার থাকে শঙ্খিনী। দেখেছি, তৃণভূমির সন্ধানে নূ হরিণগুলো পাড়ি দেয় সেরেঙ্গেটি থেকে মাসাইমারার সুদীর্ঘ পথ পরিক্রমা। পথিমধ্যে নদী গ্রুমিতির জলে, নিজেকে হিংস্র কুমিরের ছায়ায় দেখে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে উঠি। কেঁপে উঠে লতা-গুল্মের উপবন।
নিরালা হাওয়ায় বেজে উঠে অন্ত্যমিল। যেন পাথর যুগের সংগীত। পারিনি এড়াতে অনিবার্য পরিণতি। ঢুকে পড়েছি মৃত্যুর মঞ্জিলে। নেনেটদের মতো বরফ খন্ডে হবে না আমাদের সংসার জীবন। করবো না পালন বল্গা হরিণ। ঘুরবো না অব ও ইনসের শাখা-প্রশাখায়। কেবল তোমাকে ভালবেসে আমি মিলিয়ে যাবো, অসীম বিন্দুতে।