T3 || স্তুতি || শারদ বিশেষ সংখ্যায় জীবন সরখেল

অপোহ
অনাহুত দুঃখ কষ্ট রোগ শোক অন্ধকারে ছেয়ে যায় জীবন আকাশ
দিকে দিকে শক্তি ক্ষমতা দম্ভের বিকট আস্ফালনে আজও মত্ত হয় অসুরেরা
পিছোতে পিছোতে দেওয়ালেও পিঠ ঠেকে যায় কিনা অমৃতের পুত্রদের!
‘রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধি’র অস্থিত জীবন অসুখ পৃথিবীকে তবে দেখিয়ে গেছে চিরন্তন সমাধানের পথ……
তাই আমরা পরম নির্ভরতা; ‘তিমির বিনাশী’র অপেক্ষায় থাকি চিরকাল ;
তবে আজ অশ্রুত-দৃষ্টপূর্ব পৈশাচিক নানা ঘটনার অভিঘাতে ভেঙ্গে গেছে সমস্ত ধৈর্য্য-স্থৈর্য্য-বিশ্বাসের বাঁধ
মহাকাঙ্খিত-অভীপ্সিত তৎকালীন এক অকাল বোধনের পটভূমিকা খুলে দিলো যেন অপোহ আগুনে চেতনার দ্বার;
শক্তিহীন শিব যে শব তা আবারও রাত্রির আকাশ থেকে সারি সারি নক্ষত্রেরা এই পৃথিবীর গ্রাম শহরের বিস্তীর্ণ পথে ঘাটে তাঁদের উজ্জ্বল উপস্থিতির মাধ্যমে প্রমাণ করলেন;
মহাঘোর রণে দক্ষ যক্ষ বিনাশিনী রূপে জগতের আত্মজাগরণে নারীর বিকল্প আগেও ছিল না এখনও নেই ভবিষ্যতেও থাকবে না…..
সর্বংস্বহা স্বরূপে কেবল সংসার জগতের ধারণকারিনীই নন সৌন্দর্য্য সোহাগিনী কমলা’ই মহাঘোরিনী দনুজদলনী মূর্তিতে হয়ে উঠতে পারেন পরম অভয়দাত্রী”অভয়া”।