তুমি তোমার মতোই থাকো।
তোমার উসকোখুসকো চুল,চোখে চশমা, হাতে কলম আর ডায়েরি।
আমি তোমাকে ওভাবে দেখেই অভ্যস্ত।
আমার চোখ তোমাকে এমনি ভাবেই দেখতে চায়।
তোমার বইয়ের টেবিলটা তুমি অগোছালো করেই রেখো।
আমি না হয় গুছিয়ে রাখবো রোজ।
বই গোছানোর সুযোগে যে আমি তোমার সাথে সময় কাটাই বেশ কিছুক্ষন,
তোমাকে যখন লিখতে লিখতে কোনো ভাবনায় ডুবে যেতে দেখি তখন আমার বেশ লাগে……
তুমি তখন যেন কোথায় হারিয়ে যাও।
একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকো কখনো ডায়েরির পাতায়,কখনো বইগুলোর দিকে আবার কখনো দূরে আকাশের দিকে
তোমার দৃষ্টিতে যে আমি এক অদ্ভুত মায়া খুঁজে পাই।
কখনো যদি আবদার করে বলি আজ আর লিখোনা তো
রোজ রোজ কি এতো লেখো তুমি???
গুরুগম্ভীর গলায় জবাব দাও, ” বিরক্ত কোরোনা একটু লিখতে দাও, এখুনি হয়ে যাবে”।
মাঝে মাঝে বড়ো অভিমান হয় তোমার ওপর।
আবার যখন তুমি বলো, ” আজ আর লিখবো না”
তখন বড়ো আশ্চর্যও হই,
চেনা মানুষটাকে যে তখন বড়োই অচেনা লাগে।
আমি যে সবসময় আমার চেনা মানুষটাকেই দেখতে চাই,
তাই, তুমি তোমার মতোই থাকো সবসময়।।