সম্পাদকীয়

দেখতে দেখতে প্রায় দেড় মাস হয়ে গেল। কাজে ফিরছে মানুষ। তবু প্রতিটা পদক্ষেপ বলে মেয়েটার চোখে রক্ত ছিল। পরতে পরতে শুধু উঠে আসছে পিতৃতন্ত্র, ক্ষমতা, শিক্ষার চরম ব্যার্থতা। একটা কাঁটাই বিঁধছে বারবার জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায়, উচ্চমাধ্যমিকে চোখ ধাধানো ফল, বিরাট চাকরী পরবর্তী কালে তৈরি করে এমন মানুষ যে কিনা সর্বৈব রূপে শয়তান? একি শিক্ষার গলদ না পরিবারের? কেমন সহপাঠী তৈরী করা চলছে শিক্ষা ক্ষেত্র এবং পরিবারে যাদের সাথে সহপাঠী মেয়েটি নিরাপদ থাকতে পারল না? এর দায় এড়াতে কে পারবে? যে পরিবার থেকে শয়তানেরা উঠে এসেছে তাঁরা পারবে? না পারবে না। ঘুণ ধরা পরিবারের ভিতর থেকে শুরু হয়। ক্রাইম বা অপরাধ প্রবণতা অত্যন্ত জটিল মনস্তত্ব যা তৈরী হয় পরিবার থেকেই।
বিচার আসুক। আলো আসুক।
ইন্দ্রাণী ঘোষ