হাসপাতালের মেইন গেট দিয়ে যখন বের হচ্ছে
বরুণ সবাই হৈ হৈ করে উঠল।মনে হলো এইরে
দেবতার মতো সেই ডাক্তার বাবুর নামটাই জানা
হলো না।তো যার দুটো বড়িতে সুব্রতর হার্টের ফুটো ভালো হয়ে গেল।
সুব্রতর ব উ অরুণার হাইপারটেনশন এক নিমেষে উধাও।চিত্রকর বন্ধু আর বন্ধু পত্নীর
প্রাণ ফিরে পেয়ে এতটাই উল্লসিত ।বরুণ ভাবছে
সে কী ফিরে যাবে ?
গিয়ে জেনে আসবে?নাম না জানলে দেখা করবে কি করে ?না থাক।
চমৎকার মানুষদের নাম না জানাই ভালো।
ভবিষ্যতে চমৎকার কারো সঙ্গে দেখা হলে ভাববে।আগের সেই মানুষটাইয নতুন চেহারায় ফিরে এসেছে।
ওরা পিছনের সিটে।নরম তুলতুলে সিট।
বসলেই ঘুম পেয়ে যায়।দুজনেই চুপ।
বরুণের গাড়ির এ সি অবশ্য চালু নেই।কাচ নামিয়ে দেওয়ায় বাইরের হাওয়া ঢুকছে।
রাতের হাওয়ার অবশ্য আলাদা একটা মজা আছে।যার গায়ে লাগে তার মনে হয়
এই হাওয়া বুঝি শুধু তার।অরুণার চুল উড়ছে।উইন্ড স্ক্রিন দিয়ে দেখা যাচ্ছে।
ওড়া চুল মুখে এসে পড়ছে।পড়ুক।সুন্দরীদের মুখ ঢাকা থাকলে আরও বেশি সুন্দর দেখায়।
অরুণাকেও দেখাচ্ছে।বরুণের কেন যেন মনে হলো না অরুণা কাদছে।