লিখতে গেলাম শালা ,…শুয়ারকা বাচ্চা…
ভারতবর্ষ বলতে যেটুকু ছিল
তাও শেষ করে দিতে হলো
অথচ লিখলাম কি
তোমার উষ্ণ করতলে আমার, আমার সমস্ত অধিকার শব্দ ধ্বনি অক্ষর….
এখন নিজেই নিজের পিছনে বিরাশি সিক্কার
কষাতে ইচ্ছে করছে
অফিসে গিয়ে দেখি শীতাতাপ নিয়ন্ত্রণ করা ঘরে
একটা সস্তার গন্ডার ঘোরাফেরা করছে
ভাষাটা এরকম ঘোৎ ঘোৎ…কাটমানি …সিনিয়ারিটি, প্রমোশন… গুণোত্তর প্রগতি
নিরীহ গৃহপালিত , তুমি জানো কত জ্ঞানীর সংগমে রোমহর্ষক এই গন্ডারের জন্ম হয়
ওরে আদর্শরে ওরে আমার মূল্যবোধ…
চাইয়ো না ফিরে চলো
চলো যমুনা গঙ্গা দেখতে দেখতে যাই …
১৪| সরিয়ে নিও না
সব কিছু থেকে সরিয়ে নিও না হাত
তাহলে তোমাকে কাপুরুষ হতে হবে
কেবল প্রশ্ন, কীভাবে সইবে নিদ্রাবিহীন রাত
ঝরে যায় যাক, উড়ে যায় যাক জ্বলন্ত রৌরবে
সব কিছু থেকে উড়িয়ে দিও না মন
সকলের সাথে যুক্ত হওয়ায় কাজ
বুঝতে হবে না কেই বা শত্রু কেইবা আপনজন
পান্থপথের পথিক তুমি এটাই তোমার
সব কিছু থেকে সরে গেলে তুমি একা
আবছায়া, কুয়াশা যেভাবে হারায় নিজেকে রোদে
কিছুই থাকে না, সব যায়, বান্ধবহীন সখা
ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই এটাই অভিন্ন প্রতিশোধে