কবিতা গুচ্ছ তে চিরঞ্জীব হালদার

১|
আমার না লেখা দিনের একমাত্র অক্ষরের দেবদূত
আমরা প্রায়ই ভুলভাল চাঁদ দেখি
প্রেসিডেন্সির সিঁড়ি হে
আমাদের স্যাডিস্ট লজিক বিপরীত প্লেজার
গুরুদেব তুমি
বেঁচে থাক তোমাদের বাংলার চোলাই
তুমি এভাবেই বুঝি নিষিদ্ধ নিদ্রাকাতর
যুবকের বিষন্ন দ্বিপ্রহর
এই নাও এক পুরিয়া ভ্যান গগ ও ভেনাস
স্বনামধন্য মিথিলা নগরীর চৌরাস্তায় বিষ কথনগুলো
চাঁদের গা থেকে খসে যাচ্ছে মৃত আঁশের মত
আমরা জানতাম না আমাদের এপিটোম
আত্মগোপন করে থাকে আমাদেরই বাহক ধর্মে
কেন তুমি নিরপরাধ ভাসা ভাসা চোখের প্রেসিডেন্সি যুবাকে নির্বাণের ভারকেন্দ্র টেনে নাও
হে লোহিত অতীত
পারস্য উপকূলে আমাদের দেখা হোক
অপঠিত পান্ডুলিপির কৌমার্য উৎসবে
২|
আমাদের স্বপ্ন কুহক গুলো ফিরে আসবে বলে কথা দিয়ে ছিলো
প্রথম আলাপ গুলো জবাবী হয়ে উঠলে
আগুন নিজেই ধার্য হয়ে ওঠে
দেখো মলিন বস্ত্রের মত নদীও
তার আপামর মৎস্যকে বলে রেখেছে
আঙুরলতার ও কিছু কথা ছিল
শেষ দৃশ্যের অব্যবহিত পরেই বাঁধাছ্যাঁদা স্থগিত রেখে গোদার যমুনাবতী দিকে মুখ ফেরাবেন
অনুমানপ্রাপ্ত দিন এক একটা অজ্ঞনতার সমাহার
তার ঝলসানো চিৎকার থেকে আমাদের ঋতুজন্ম
তাই বলে আপনি ঝাঁপ বন্ধ করবেন
আমাদের নিঃশর্ত চুম্বন থেকে জন্ম নেওয়া
যমুনাবতী অপেক্ষা করবে পায়েস রেঁধে
দেখো শেষ পংক্তিভোজে ক্ষুধার্ত গোদার বসে আছেন
৩| গল্প
ক’দিন থেকে লোকটা জ্বালিয়ে মারছে
তার এক কুৎসিত দর্শন বান্ধবী দরকার
হাড়ে হাড়ে শয়তানী তকমাটা এই সুযোগে
কোন এক চতুর আমার চরিত্রে সেঁটে দিয়ে
বান্ধবী ভ্যালির দালাল হয়ে উঠবে এই ভেবে চেপে যাই
আমার দিন এক নশ্বর প্রজাপতির উপঢৌকন
প্লেটোর না লেখা নোটবুকের অ্যনাটমির
আকাশটা গজদন্তী হরিনের মত
টের পাই কে যেনো নাভির ধূসর কোষে আত্মগোপন করে আছে
এক একটি উপসংহার যেনো ননডায়নামিক সময় বমি করা ঘড়ির কাঁটা
লোকটা আজ ও এসেছিল
তার বউ তাকে খেতে দেয়না তবু তার সুখি মস্তিষ্ক
খুঁজে চলেছে ফিরিওয়ালাকে
যার কাছে সে এক খুবসুরত দিগন্তের গল্প শুনতে চেয়েছিলো