T3 || আমার উমা || বিশেষ সংখ্যায় চিরপ্রশান্ত বাগচী

পাখি বিষয়ে দু’একটি কথা
অভিনিবেশ সহকারে পাখির আওয়াজ শুনি।
একই ভাবে জানালার গুল্ম-গাছ-লতাপাতার ফাঁকে
চঞ্চল মধুপ কোনও ছোট্ট পাখির খুঁটিনাটি সব দেখি।
হঠাৎ নিজেই পাখি। দূরে উড়ে গিয়ে বসি জারুল গাছের ছায়ায়।
আমিও ডাকতে থাকি।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ জেনেও সুদীর্ঘ গাছ ছেড়ে কোথাও যাই না।
ঘুমিয়ে থাকি।
আলোর ঔজ্জ্বল্য বা ম্লানিমা বিষয়ে কোনও ভাবনাই নেই।
মানুষের রক্তপাত খুন-জখম প্রতারণা ঈর্ষা—
এবম্বিধ কোনও ঘটনার তাপ-উত্তাপ আমাকে আদৌ স্পর্শ করে না।
সানন্দে মুখর হই।
পাখি দেখলেই, আমার বরফ হয়ে যাওয়া সমূহ অশ্রু ভাঙতে শুরু করে।
শিকড়ের বিপন্নতা— মস্তিষ্ক ও হৃদয় থেকে হারিয়ে যায়।
লোমকূপে শুরু হয় পালকের জন্ম।
শস্যক্ষেতে যাই। এড়িয়ে চলি ওষধির সম্মোহন।
এগিয়ে যাই ভিন্ন প্রবাহের কাছে।
ডানায় বিষাদের ঘ্রাণ মুছে যায় ক্রমে।