কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে বিচিত্র কুমার

নিষ্টুর কালবৈশাখী
ক্ষণিকের এই পরিচয় ক্ষণিকের এই স্মৃতি
তবু কেনো বারেবারে মনে পড়ে তোমার ভালোবাসার গীতি?
কালো কালো মেঘোরাশি ভাঙে সাজানো স্বপ্নের তরী
বিজুলী চমকায় হৃদপিণ্ডে ভিতরে শিরা উপশিরায় সুন্দরী এক নারী।
বুকের মধ্যে হঠাৎ ওঠে অজানা এক তুফান ঝড়ি
খিলখিলিয়ে হাসে নিষ্টুর কালবৈশাখী।
চুল তার দীঘলকালো আঁধারের যেনো মেঘ
তার চিকিমিকি মুখশ্রী একঝলক দেখেছি-
যেদিক তাকিয়েছি সেই দিক।
ওগো তুমি কোন থাকো কোন বিদেশে?
ক্ষণিকের জন্য এসে ভেঙে দিলে কেন আমার স্বপ্ন যে?
তখন হঠাৎ দূর আকাশে চেয়ে চেয়ে দেখিলাম আমি:
অঝোরে ঝরছে বসে ফুটফুটে বৃষ্টি তাকে প্রশ্ন করিলাম-
এতো কাঁদছো কেন ওগো সুন্দরী তুমি মেঘের নীড়ে?
সে কখন মৃদুস্বরে বললো, দেখো তোমার স্বপ্ন ভেঙে দিতে চাইনি আমি
কখন কি যে হয়ে গেলো বুঝতেই পারলাম না কী জানি?
একটু পরে প্রকৃতি আবার শান্ত হতে লাগলো প্রকৃতির নিয়মে
কিন্তু শুধু শান্ত হলো না আমার এই অবুঝ আকাশ মন;
মাঝে মাঝে দেওয়ার ডাকে ডাকে আমি শুনতে থাকলাম তাকে
দুঃখকষ্টে ভরা শূন্য হৃদয় নিয়ে এক মেঘ গুরগুর বেদনার গান।