তুমিতো জানো মিতু
তুমি কী জানতে চেয়েছিলে, আর
আমি কি জানাতে পেরেছি।
অথচ তোমার কথার ভেতর নদী বাঁক নেয়
আমার অব্যক্ত কথা বের করে আনো গভীর প্রশ্রয়ে।
আমি অনায়াসে শৈশবের মাছ লজেন্স চাইতে পারতাম
চাইতে পারতাম ফ্যান ভাতের গন্ধ ।
তুমি তারও কিছু বেশি দেওয়ার বাসনায়
আঁচল খুলে দাঁড়িয়ে আছ, বে-আব্রু শরীর, নিলাজ মন নিয়ে
এমনকি গোপন প্রণয়ের ঘট সাজিয়ে হো হো হেসে উঠলে।
কবি, কী নেবে নাও
আমি চরণের ধুলি কুড়িয়ে আমার আকাঙ্খার সিন্দুকে রাখি।
তুমি বললে, – আর কিছু চাওয়ার নেই বাকি?
আমার আরক্ত চোখ মাটিতে নামিয়ে রাখি
মিতু, তুমি জানো না, এই রাতে
আমার ঝুলিতে কী দেওয়ার শপথ এঁকেছিলে
তোমার শরীর জুড়ে পাহাড়, নদী আর সবুজ বন
যার প্রতিটি ভাঁজে
আমার অতৃপ্ত বাসনা গুলি থরে থরে সাজানো।
মিতু, এই একটাই জীবন আমাদের
এই এক জীবনে আমার পাখি জন্ম সার্থক।