কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে বশির আহমেদ (গুচ্ছ কবিতা)

১. কেমন আছি
কেমন আছি সেটা বিষয় নয়
বেঁচে আছি এটাই তো বিস্ময়!
জীবনের বেলা ফুরিয়ে যাবে,
মৃৎশিল্পের নৈপুণ্যতায় নির্মাণ হবে
একটা নতুন ঘর।
অনন্ত যাত্রার পথে কয়েক ফোঁটা
চোখের জল,
ধীরেধীরে স্মৃতির বারান্দায় জমা হবে
ধূসর ধুলাবালি।
সামান্য জীবনের আয়োজন।
২. বিজয়ের শুভেচ্ছা
একটা নতুন ভোর
পাখির কণ্ঠে বেজে ওঠে সুরের ধ্বনি
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর একটু উল্লাস
অনুপস্থিতি ছেলের জন্য মায়ের
বুকে তীব্র হাহাকার,
তারপরও চোখের কোণে আনন্দের
ধারা বয়ে যায় নীরবে।
একটা নতুন পতাকা
বেঁচে থাকার স্বাধীনতা ছড়িয়ে পড়েছে
৫৬ হাজার বর্গমাইল।
৩. জীবনের রংতুলি
একটা বেধে দেওয়া সময়
আলোকময় রঙিন পৃথিবী।
দুইয়ের ব্যবধানে জীবনের
সমীকরণ!
অন্তঃসার-হীন জীবনের গল্প,
কিছু গল্পে মহিমা ছড়ায়।
ভালোবাসার কোন নির্দিষ্ট রং নেই,
জীবনের বেলায়ও তাই।
৪. তোমার ম্লানমুখ
তোমার হাসিতে খুঁজে পাই সুগন্ধের দোলা,
আমার আমি কে খুঁজে পাই তোমার মাঝে।
তোমার ভাবের সমুদ্রে পড়েছে ভাটা!
তোমার ম্লানমুখ কেড়ে নেয় সুখের প্রহর।
বোরনের অভাবে ঝরে পড়ে ফুলের কলি।
পরখ শক্তির নিরীক্ষণে মনের কার্ণিশে ফিরে আসুক ফাল্গুনী প্রহর।