কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে আনোয়ার রশীদ সাগর
by
·
Published
· Updated
দরজা খুলে খুলে যায়
আকাশের এই সিঁড়ির প্রতিটা ধাপেই একটা নূপুরের ঝংকার বাজেই,
সে হেমন্ত,বসন্ত বা শ্রাবণ পূর্ণিমা, যায় বলো-সব সময়ই।
বকুলের সুঘ্রাণ বা শিউলীর মধুঘ্রাণ, যায় বলো-
সেখানে তোমারই সুরেলা ধ্বনি প্রতিনিয়ত থাকে;
সাদা শাড়ির আঙুলের স্পর্শ, ক্লান্তিহীন মায়ার বাঁধন
সবুজ বুকের নীরব চত্বরে নেচে নেচে ওঠে।
রোমাঞ্চিত বরষা ছিল না,ছিল প্রখর খরাভরা নীরব চোখ
রক্তজবা প্রেম,স্রোতের এক মোহ আমাকে জাগিয়ে রাখে জ্যোৎস্নাময় দুপুর রাতে।
যখন লিখি তখন স্মৃতিময় উষ্ণতা আমাকে নিয়ে যায়
কোনো বাসাবাড়ির খাটে-
আঁচল খুলে এলোচুলে চাঁদমুখে বলো তুমি, নষ্ট করো না স্ট্যাটাস,
মনের আয়নায় চেয়ে চেয়ে শ্যামলমুখের কাঁচচোখ দেখি অপলক;
চকচক করা জ্যোৎস্না বয়ে যায় আমার আকাশজুড়ে।
ফুঁসে উঠা বাসনা পুঁতে রাখি আঁধারের অমানিশায়
দৈবপাখি ডেকে ওঠে কুহু-ক্রাস,
জানো নদী, মায়াবী ডানার দরজা খুলে খুলে যায়
ঝড়ের গতিতে দৈত্য-দানবের মত অন্ধপ্রেমের কারণে,
দরজা খুলে খুলে যায় স্মৃতিময় নূপুরের শব্দে
দরজা খুলে খুলে যায় চাঁদময় হাসিতে-
তাই দরজা খুলেই রাখি কবিতার খাতার মত।