স্বয়ং, আমি শূন্যের কাছে হাত বাড়াই
তনুশ্রী থেকে তন্তুশ্রী
এক বয়নশিল্পীর আত্মসমর্পণও বটে
আর তখনই
নিজের ভেতর নিজেই জমাট বেঁধে
প্রবল ধারায় বৃষ্টি নামে
হাজার গাঁট শাড়ির ভাঁজে
ভাঁজে লুকিয়ে থাকে যে শান্তিপুরী শাড়ির গোপন কথা
গোপন থাকে উর্বরতা
শস্য ক্ষেতে সীতাজন্মের লাঙলে
কোটি সঙ্গমের উদ্গমে জাগ্রত ভূমি
আমাতে ফুটে ওঠে সকল প্রকৃতি
আজ তাদের জন্মদিন
নদী গাছ ফুল ফল ছুঁয়ে
তারা এসেছিল
কেউ তুলেছিল সুরের ঝঙ্কার
কেউ গেঁথেছিল মালা
কেউ বা এঁকেছিল ছবি
কারো বুভুক্ষু হৃদয় পান করেছে নির্জনতার রস
কাউকেই ফেরায়নি প্রকৃতি
আমার সবটুকু নিয়েই ওরা ফিরে গেছে
আপন সুরধনীর মাধুর্যে
আর আমার বুকে তখন
মৎসগন্ধা হয়ে উঠছে পদ্মরেণুর উতল বাতাস