কবিতায় পদ্মা-যমুনা তে আলতাফ হোসেন উজ্জ্বল (গুচ্ছ কবিতা)

১। ঠোঁট মুখ মসৃণ মায়া
এ-ই তো মৃত্তিকা, এই আঙিনায়
শতসহস্র শুভাকাঙ্ক্ষী ভিড়ে
মধুতে ভিন্নতা খুঁজি তোমার ঠিকানা :
এযেন রক্তজবা –
রঙের ছোঁয়া থুতণি – রসময়ী ষষ্ঠী আবেগ,
তোমারই –অনুভূতি প্রকাশ নিরবচ্ছিন্ন!
মঞ্জিল তুমি – ধাবমান তুষারজল
অক্টোপাস শিকারে আমি!
চিত্রটি অমৃত লাল ঠোঁট – সকল কিছু হার মানে
তোমার মর্হুতের আবেশ।
অনুভব করি পথচলা,
ঘুমে জড়িয়ে সৃজনশীল প্রেম শিহরন।
মায়াময় আঙুলের হস্তলিপি
প্রতীক্ষা-উৎকীর্ণ বারবার,
ফুলের কলি হ’য়ে –
তোমার জন্য লিখি
অবিরাম মধুর জয়মালা;
নবরূপে আলিঙ্গন বাহুতে
নবীন আর প্রবীন।
সৃজন ভালোবাসা – বাহুডোরে বাঁধা
অশ্রু টলটল দুটি নয়ন,
ফুটন্ত গোলাপ উদ্যানে
অবয়বগত জনসভা –
আমি সেই জনসভার শ্রেষ্ঠ শ্রোতা ;
অবশিষ্টাংশ বিষয়
তোমার – চুল,নাক, ঠোঁট, মুখ, মসৃণ মায়া।।
২। মুখবন্ধে ভালোবাসা
চিরদিবস প্রেম যৌবন মান
অবশেষে নিত্যনতুন পরিভাষা
ফুলচন্দন নিবিড় পরিচর্যা
সমুদ্র ঢেউ দেখা – অশান্ত ললিত বাণী,
যুগে যুগে এইরূপ সুরের মূর্ছনায় চলে!
তোমার আবক্ষ ভাস্কর্য
হৃদয় শান্তি সমীকরণ
শর্ত তোমার সানিধ্য
প্রস্ফুটিত বৃত্ত ব্রতী আমি।।
নীল রঙের ছোঁয়া
মস্ত মালার পরমানন্দ
হৃদয়চিত্তে সংজ্ঞা –
বকুল অথবা হাস্নাহেনা
অজস্র ধারা………
তুমি এক খন্ড চিত্র
এঁকেছো মনোমুগ্ধকর মায়া
নবরূপে আলিঙ্গন,
ছোট্ট ক’টা লাইন – বিচিত্র দৃশ্যের ঘটনা!
কালির শিশিতে কলমে মননশীল
প্রেম গল্প – একরাশ শিল্প ;
অসীম সীমান্ত ঘেঁষে,
ছন্দ নৃত্য মগ্ন হৃদয়ে উত্তাল কাব্য,
গুপ্ত রূপ লাবন্য ঘুরে বজ্রাসন
মুখবন্ধে ভালোবাসা।।
৩। জাগ্রত শান্তি – চিরায়ত সংগ্রাম
কথা বন্য প্রাণী- নিস্তব্ধতা বিদীর্ণ,
তৃষ্ণার মারণসম দোটানা সংশয় ;
বেড়াজালে বাঁধে-শাঁখাসিঁদুর
রোদচশমা চোখে ভালোবাসা!
অকুতোভয় উক্তি –
মানসী ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়, ছোঁয়া লাগুক তোমার ;
আগামী দিনের নির্বাচিত গুনীমান্যি নাম।
ঢেঁড়স না পটল – মাছ না মুরগী
যেবা রঙিন শ্বেতপদ্ম ম্রিয়মাণ।।
ত্রিরত্ন, তিন পুরুষ, স্বচ্ছতা নীতিনৈতিকতা
ধারাবাহিকতা খোঁজো, মিলবে সৌম্য,
স্বস্তির নিশ্বাস, ঐক্যবদ্ধ স্বত্বা
জাগ্রত শান্তি – চিরায়ত সংগ্রাম।।