সাপ্তাহিক ধারাবাহিক উপন্যাসে অভিজিৎ চৌধুরী (পর্ব – ২৫)

না মানুষের সংসদ

শ্রোত্রিয় হাসল, বলল –
সংস্কৃত আর বাংলায় ভালো । অংকে খুব কাঁচা ।
কান্তু-দা হাসল । বলল,
আমার সঙ্গে মা সরস্বতীর আড়ি । তবে আমি জেলার অনুর্ধ্ব ১৭-র কোচ ।
এইবার কান্তুদা শ্রোত্রিয়ের পায়ের সঙ্গে লেগে থাকা ফুটবলের দিকে তাকাল ।
রাশিয়ান ফুটবল কোথায় পেলি ?
স্কুলের বল । শনিবার খেলা হওয়ার পর আমার কাছে রেখেছি ।
জয়দেব স্যারকে বলে এনেছিস তো !
হ্যাঁ ।
এটা একটু মিথ্যে করেই বলল শ্রোত্রিয় । মহেশদা জমা নিল না । বলল, সোমবার প্রথমে এসে দিস ।
কান্তুদা এবার বলল,
পাড়ার ছেলেদের খেলতে নিচ্ছিস না কেন !
কলেজের মাঠে প্রচুর লিচু গাছ আছে । এখনও লিচুগুলিতে পাকা রং লাগেনি । শ্যামল, ভজু, সমু, ডোমা – সকলেই এখনও সেই কাঁচা কাঁচা লিচু গাছের ডালে বসে খেয়েই চলেছে । ওরা সব শ্রোত্রিয়কে ডালে বসেই লক্ষ রাখছে ।
শ্রোত্রিয় বলল,
বলে কাদা লাগলে জয়দেব স্যার আমায় মারবে ।
কান্তুদা হাসল ।
বর্ষায় মাঠে কাদা থাকবে । জল জমলে কেমন করে খেলতে হবে তাও আমি শেখাব । আর বলে কাদা লাগবেই – জল দিয়ে ধুয়ে ফেললেই হবে ।
বলেই কান্তুদা ইশারা করল । গাছগুলি থেকে ধুপধাপ মাটিতে পড়ার শব্দ হল । দেখতে দেখতে ১৮ জনের দল ৯ জন করে দুটো টিম হয়ে গেল ।
কান্তুদা শ্রোত্রিয়কে বলল,
তুই কোন পজিশনে খেলবি!
স্ট্রাইকার ।
Spread the love

You may also like...

error: Content is protected !!