T3 || আমার উমা || বিশেষ সংখ্যায় অরণ্য আকাশ

আত্নবিশ্বাস
ইচ্ছে ও আকাঙ্খা মন্থর হলেও জাগিয়েছে আশা
ধূসর হলেও সাফল্যের পথ হারায়নি; অধরাও নয়
তবু সে পথ সহজ ছিলনা দূর্বিষহ জীবনে
নড়বড়ে সাঁকোয় দাঁড়ানো ছিল সে পদযাত্রা
ইচ্ছের প্রাবল্য ছিল বলেই, অদম্য হয়ে উঠে
ঠিকানাহীন এক অগ্রপথিকের স্পন্দন
যদিও ক্ষত দাঁগ ছিল নিত্য সঙ্গি
বিপর্যস্ত হেঁয়ালি নিয়তির বেড়াজালে আটকে যাই
হতাসায় নির্জনতার তিক্ত নোনা জলে হল জলডুব
যমুনা’ই গিলে খাবে হয়তো তীরের নাগাল!
মুঁষড়েগেছি কতবার ভয়ে অপ্রতুল বিষদগারে
লোকালয় সিটকে পড়া এযেনো এক নির্জনবাস
এসব ভাবনায়, প্রতিটি ক্ষণ দীর্ঘ সুতোয় যেনো
একেক টা শতাব্দির ঝুলন্ত পাহাড়
যা পেরুতে হবে গন্তব্যের পথে
চোখে ভাসে মরীচিকার তপ্ত আবছায়ার ধোঁয়াশা
ক্লান্তিরা ছাড়েনি পিছু দীর্ঘ প্রহর
এযেনো কেবল নির্ঘুম রাত্রির জ্যোৎস্নার ক্রন্দন
বিদগ্ধে ওষ্ঠাগত প্রাণ,দীপশিখাও নীলাভ নিশ্চল
সহসা,অজানা এক স্বপ্নজাল,দাঁড়াল এসে, হেসে
উর্বর মস্তিস্কে;অনুরণন হলো নিউরনে নিউরনে
দন্তহীন চর্ব্যজোঁক পিঞ্জিরাবদ্ধ,তবু ছাড়িনি পথ
শুধু জানি গন্তব্যে যে যেতেই হবে কোনো ক্ষণে
সে সময়টা যত দীর্ঘই হোক, যত দুরূহ’ই হোক
যেদিন শ্রাবনের প্রবল বিক্ষুব্ধ বর্ষায় উন্মাদ
মরা নদী যৌবনে টলমান দুরন্ত তরঙ্গের উল্লাস
পাড়ের আশা নেই জেনোও,
আশাহত জলজ পোকার মতই
সাঁতরে দিয়েছি পাড়ি
অজানা দুরন্ত এক মন্ত্র জানিয়ে দিলে কানেকানে
জাগালো চেতনার ঝড় সাহস ও আত্নবিশ্বাস
সুযুক্তিরা আনন্দে নেচে উঠল আশার দিগন্তে।