সাতে পাঁচে কবিতায় সঙ্কর্ষণ

উতল হাওয়া

প্রেমিক হয়ে প্রেমিকার মান ভাঙানো ঠিক ততোটাই একমুখী, প্রেমিকের মান ভাঙতে প্রেমিকাকে করতে হয় যতোটা উত্তাল স্রোতে অবগাহন। যে চোখ নিয়তঃ কাঁদে, সে চোখের শুষ্কতায় সুকোমল মনও ছড়ে যায়। ভিজে যেতে যেতে কাঁদে, “না না না না”।
তবু কিছু কিছু সেতু শুধু ‘মহীনের ঘোড়া’গুলি জানে অথবা জানেনা বব ডিলান। পুড়ে যেতে যেতে নেশাতুর ঠোঁট জুড়ে বসে স্পর্শের স্মৃতি, নিজের ভেতরে এই বিপ্লবের নৌকো দিব্যি পেরোয় বয়ঃসন্ধির লাভাস্রোত। কেউ বুকে ধরে রাখে উষ্ণ কবিতা, কেউ দুনিয়াকে দেখে আগুনের চোখে।
সবই আছে তবু স্বপ্নতে ফিরে আসে ছাইরঙা অতীতের গান। বাইরের ব্যারিকেড ভাঙা এতো সোজা… ওদিকে পেছনে বাসরঘর বন্ধ হয়ে যায়। চিরকাল মনে থাকে দুটো ভেজা চোখ আর কান্না জড়ানো গলায়, “কেন এতো রাগ? আমি কি কেবলই স্বার্থে বাধা দিয়েছি? ” কেবলই পালিয়ে বাঁচি, চাঁদেও কলঙ্ক ভাবি “পিচগলা রোদ্দুরে”র।
এখনও ডাকোনা অলি? এখনও করোনা সেই পাথরে কাগজ মুড়ে “কোর্ট মার্শাল”? আমার সে ইশারায় জানান দেওয়া যে ওরা কেবলই পাখির ডাক বলে ভুল করে।
পাখিটা কেবলই ডাকে, “ট্টি ট্টি ট্টি ট্টি”।
ফেসবুক দিয়ে আপনার মন্তব্য করুন
Spread the love

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কপি করার অনুমতি নেই।