|| শাম্ভবী সংখ্যা ২০২১ || T3 শারদ সংখ্যায় মৌসুমী নন্দী

0
86
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

উড়ান

আজ তিতিরের জন্মদিন ৷ এবারে দশ বছরে পা দিল ৷ এই তো কদিন আগেই জন্মালো দেখতে দেখতে কখন পায়ে পায়ে এতটা বড়ো হয়ে গেলো বুঝতেই পারে নি রুমানি ৷ মেয়েটা বড়ো বাপ ন্যাওটা হলেও তবে বয়স আন্দাজে একটু বেশীই বোঝনদার সবসময় মাকে কেমন আগলে রাখে মায়ের মত করে ৷আজ সকাল থেকেই বাবাকে বায়না করে রেখেছিল জন্মদিনে মা ও বাবার সাথে বাইরে ঘুরতে যাবে ৷ মনসিজ তিতিরের বাবা আজো ছুটি নিতে পারে নি ,একটা বিদেশী কোম্পানীর সাথে গুরুত্বপূর্ণ মিটিং আগে থেকেই ঠিক করা ছিল ৷ তাই তিতিরকে অনেক বুঝিয়ে বলে কথা দিয়েছিল এবেলা না হহলেও অবেলা ঠিক ছটার মধ্যে ঘরে চলে আসবে তারপরে বাকীসব আজ তিতিরের মত করে হরে ৷মনসিজ সময় মত আসতে পারে নি ৷তিতিরের সমস্ত বায়না সামলে কোনমতে ওকে রাতের খাবার খাইয়ে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে এসে সোফায় বসে বোকা বাক্সের রিমোটটা অন করে রুমানি ৷ ঘড়িতে এখন রাত প্রায় সোয়া দশটা বাজতে চললো। ডিসেম্বর মাসের একেবারে প্রথম দিক। শহর জুড়ে একটা হালকা হিমের পরশ ছড়িয়ে পড়ছে,সন্ধ্যার পর থেকেই কেমন একটা গা শিরশিরে অনুভুতি।রুমানির স্বামী মনসিজ এখনও ঘরে ফেরার সময় হলনা। অথচ আজ অফিস যাবার আগে রুমানি কত করে মনসিজকে বলে দিয়েছিল তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরার কথা। তিতির আবদার করে বাবাকে বলেছিল,”বাবা আজ তুমি রাতে ফিরলে একসাথে তিনজন বসে মায়ের হাতে রাঁধা স্পেশাল মেনু ফ্রাইড রাইস আর চিলি চিকেন খাব।” সেসব কথা বোধহয় কানে ঢুকলেও মনে নেই ওর।

অফিসে ব্যস্ততার নাম করে আজকাল প্রায়শই দেরি করে ফেরে মনসিজ, মুখ থেকে ভেসে আসে মদের গন্ধ। রুমানি কিছু জিজ্ঞাসা করলেই অদ্ভুত ভঙ্গিতে কাঁধ ঝাঁকিয়ে জবাব দেয়,”রোজ রোজ এসব একই অবান্তর কথা জিজ্ঞাসা করো না রুনি। ডিসগাস্টিং লাগে। অফিস শেষের পর পার্টি ছিল তাই কয়েক পেগ খেতেই হলো। কর্পোরেট জগতের হালচাল তোমার মোটা মাথায় ঢুকবেনা। তুমি খেয়েদেয়ে ওই ঘরে তিতিরের কাছে গিয়ে শুয়ে পরো। আমাকে এখন অফিসের কাজ নিয়ে বসতে হবে। সারাদিন খাটাখাটনি করে এলাম, প্লিজ আর বিরক্ত করোনা। আমাকে আমার মত থাকতে দাও।” দায়সারা ভাবে কথাগুলো বলা কোনমতে শেষ করে পাশের ঘরে চলে যায় মনসিজ। গাড়ীটা চললেও কোথায় যেন ইজ্ঞিনটা একটু বেগড়বাই করে ৷ তিতিরও যেনো কিছু বুঝতে পারে ৷তাই আজকাল বাবাকে কাছে পেলেই বেশী বায়না করে কিন্তু মনসিজ কাজের ব্যস্ততা দেখিয়ে এড়িয়ে যায় ৷

রুমানি ভালোমতই বোঝে এসবই হলো দায় এড়িয়ে চলার ছল। মাঝরাত পর্যন্ত ওই ঘর থেকে চাপা স্বরে মনসিজের কথা বলার আওয়াজ,খুনসুটির কিছু কথা ভেসে আসে।অথচ ওদের বিয়ের একেবারে প্রথম মাঝে মাঝে দুজন মিলে সপ্তাহান্তে কাছেপিঠে এদিক সেদিক ঘুরতে যাওয়া, রেস্তোরাঁয় খেতে যাওয়া এসব সারপ্রাইজ প্ল্যান চলতো। আর বাড়ি ফিরে রুমানির নরম পালকের মত উষ্ণ শরীরে আদরের ছাপ এঁকে দিতো মনসিজ। পরম আশ্লেষে ওকে আঁকড়ে ধরতো রুনি।সুস্থ,স্বাভাবিক পথেই চলছিল ওদের দাম্পত্য। সমস্যার সূত্রপাত তিতির আসার পর থেকেই। মাতৃত্বের হাত ধরে রুমানি শরীরে পরিবর্তন আসতে শুরু করে। মনসিজের বক্তব্য,”রুনিকে তোমাকে নিয়ে কোনো পার্টিতে সেভাবে যাওয়া যায় না। ওই ঢোলা সালওয়ার কামিজ বা কুর্তিতে তোমাকে পুরো বহেনজী মার্কা লাগে। ইটস সো ইরিটেটিং। অথচ রেখা ,জয়িতা সবিতাদের দেখো এতো কাজের চাপের পরও কেমন করে নিজের ফিগারটা ধরে রেখেছে। শাড়ি থেকে জিন্স সবেতেই কেমন রঙিন প্রজাপতির মত উড়ে বেড়াচ্ছে ওরা আর তুমি দিন কে দিন মুটিয়ে যাচ্ছ। দেখেছ কোনোদিন আয়নায় নিজেকে? চোখের নীচে কালো ছোপ,পেটে চর্বি। কোনটা ছেড়ে কোনটা বলব…” তারউপরে পার্টিতে গিয়ে তুমি কোন ড্রিঙ্কস কখন করতে হয় তাও জানো না ,সবাই যখন ড্রিঙ্কস করে নাচানাচি করে এনজয় করে তুমি তখন এক কোনে বোবার মত দাঁড়িয়ে থাকো ,আমার লজ্জায় মাথা কাটা যায় ৷ বাড়ির পরিবেশ যে সকলের একরকম হয়না সেটা কী করে রুনি বোঝাবে ওর স্বামীকে? বেহালাতে দুই কামরার একটা ফ্ল্যাটে ওদের দিনযাপন। একান্ত নিজের লোক বলতে যারা তারা সবাই কলকাতার বাইরে থাকে। বাজার করা থেকে শুরু করে ইলেকট্রিক বিল জমা দেওয়া, তিতির একটু বড় হবার পর থেকে ওর স্কুলের হোমওয়ার্ক পেরেন্ট টিচার মিটিং, আঁকার ক্লাসে , নাচের ক্লাসে নিয়ে যাওয়া সবই রুমানিকে কে একার হাতেই সামলে চলতে হয়। আর রুমানিরা একান্নবর্তী পরিবারে মানুষ হয়েছে ৷নিয়ম নিষ্ঠার মধ্যদিয়ে এসব পার্টির জৌলুস নিয়ম কায়দা জানে না ৷সারাদিন সংসারের সব ঝক্কি সামলে নিজের দিকে সেভাবে তাকাবার সময় কই? মনসিজ তো মাসের প্রথমে টাকা দিয়েই খালাস৷ বাকী একটা সংসারের কত কাজ তা মনসিজেরর মত পুরুষ বোঝে না বা ইচ্ছা করেই না বোঝার ভান করে থাকে ৷
মনসিজের দেশের বাড়ি বাঁকুড়ায়। রুমানির বাড়িও বাঁকুড়ার এক প্রত্যন্ত গ্রামে ৷ পরিচিত এক আত্মীয় মারফত ওদের বিয়ের সম্মন্ধ হয়। আর বিয়ে,অষ্টমঙ্গলা মিটে যেতেই স্বামীর সঙ্গে প্রথমবার কলকাতায় পা রাখা ওর। নতুন পরিবেশ পরিস্থিতিতে অভ্যস্থ হতে না হতেই বছর দুয়েকের মধ্যে তিতির চলে এলো আর দিনগুলোও কেমন বদলে যেতে শুরু করলো অজান্তেই। এখন সবকিছুতেই নিজের অফিসের মহিলা কলিগদের তুলনা টানে মনসিজ। বিশেষ কিছু বললেই অশান্তি, দাম্পত্য কলহ। কিন্তু এভাবে মুখ বুঁজে আর কতদিন? এখনকার শিশুরা বয়েসের তুলনায় অনেকটাই পরিণত। তিতিরও ক্রমশ বুঝতে শিখছে সংসারের খুঁটিনাটি। মা,বাবার এই ঝামেলা ওর শৈশবটাকেও নষ্ট করে দিচ্ছে। আজও যেমন বাবাকে না পেয়ে খাবার টেবিলে অনেক কান্নাকাটি করলো ও। অল্প একটু খেয়েই কোনমতে ছোট্ট শরীরটা এলিয়ে গেলো বিছানায়। বার তিনেক বাবাকে ফোন করলেও ওদিক থেকে কোনো উত্তর দেয়নি মনসিজ ৷ মনসিজ সল্টলেকে একটি বহুজাতিক সংস্থার মার্কেটিং হেড।
ছোট্ট ছোট্ট ভাবনাদের সঙ্গী করে কতক্ষণ যে সোফায় বসে ছিল নিজেও খেয়াল করেনি রুমানি। হুঁশ ফেরে কলিংবেলের কর্কশ আওয়াজে।দরজা খুলে দিতেই রুমানির নাকে ঝাপটা মারে মদের গন্ধ। আর নিজেকে সামলাতে পারে না ও। কাটা কাটা ভাবে বলে,”আজও তুমি মদ খেয়ে বাড়ি ফিরলে? আমার কথা না ভাবো অন্তত তিতিরের কথাটাও একবার ভাবলে না ৷জন্মদিনের দিনও কান্নাকাটি করতে করতে ঘুমিয়ে গেল মেয়েটা। তোমার মত দায়িত্বজ্ঞানহীন একজন বাবা সত্যি আর নেওয়া যাচ্ছেনা। তো কাদের সাথে মদ খেলে ওই সবিতা ,জয়িতাদের নাকি আরো নতুন কেউ?…”
বাকি আর কিছু বলার সুযোগ পায়না রুমানি। তার আগেই মনসিজ ঝাপিয়ে পড়ে ওর চুলের মুঠি ধরে দেওয়ালে চেপে ধরে হিসহিস করে বলে ওঠে,”চুপ একদম চুপ কর শ্লা… একদম জ্ঞান কপচাবে না। যাদের নাম বললে ওদের নখের যোগ্য তুমি নও। ওরা সবাই স্বাবলম্বী। নিজের টাকায় মদ খায় ফুর্তি করে। আর তুমি যে দিনের পর দিন আমার ঘাড়ে বসে অন্ন ধ্বংস করছ তার বেলা? ওত বুলি না ঝেড়ে একটু স্বাবলম্বী হয়ে দেখাও না মামণি তবেই বুঝবো দম আছে। আর শোনো আগামীকাল একটা আগ্রাতে অফিস টুর আছে আমার। যাও ভালোয় ভালোয় গিয়ে আমার ব্যাগটা গুছিয়ে দাও দেখি। ভোরে বেড়াবো আমি।”
কোনমতে মনসিজের হাত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নেয় রুমানি । একরাশ নিস্তব্ধতা আর গরম জলের বাষ্পরা ওর আঁখিপল্লব ছুঁয়ে নরম গাল বরাবর গড়িয়ে পড়ে টুপটাপ। রাতের খাওয়াও হয়না ওর। নির্ঘুম রাতে বারবার চারদেওয়ালের মধ্যে থেকে একটাই শব্দ আর ঘড়ির টিক টিক প্রতিধ্বনিত হতে থাকে,”স্বাবলম্বী “৷
যাইহোক ভোর ভোর থাকতেই বেরিয়ে যায় মনসিজ। রুমানি তখনও ড্রইং রুমে ঠায় বসে। দেওয়াল ঘড়িতে ঢং ঢং করে আটটা বাজলে কোনমতে নিজের শরীরটাকে টেনে তিতিরকে তুলতে যায় ও। অন্যদিন যাকে তুলতে গেলে অনেকটা বেগ পেতে হয় রুনিকে আজ সেটা পেতে হলো না একডাকেই তিতির উঠে বসে , মায়ের গলা জড়িয়ে ধরে তিন্নি বলে,”গতকাল রাতে বাবা বাড়ি ফেরার পর আমি তোমাদের সব কথা শুনেছি। আচ্ছা মা স্বাবলম্বী মানে তো ইন্ডিপেন্ডেন্ট তাই না ! স্কুলে ম্যামরা বলে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ওম্যান তারাই হয় যারা কারুর ভরসায় না থেকে নিজের হাতে রোজগার করে নিজের জীবন নিজেই চালায় চালায়। তুমি এমন কিছু করতে পারোনা যাতে তোমার আর আমার মোটামুটি চলে যায়। তেমন হলে দামী স্কুলে পড়ব না।পিৎজা, স্যান্ডউইচ টিফিন না খেয়ে লুচি,আলুর দম বা পেঁয়ারা মাখা খাব। তুমি তো কতো ভালো কেক বানাতে পারো কত ভালো রান্না করতে পারো মা ওই দিয়ে নতুন কিছু করা যায় না? আর আমি বড় হয়ে তো নিজের পায়ে দাঁড়াবোই দাঁড়াবো।তোমাকে সাহায্য করবো।” তিতিরের কথায় রুমানির সব বাঁধ ভেঙে গেলো তিতিরকে বুকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে কেঁদে উঠলো ৷মুহূর্তের মধ্যে চোখের সামনে নতুন একটা রাস্তা দেখতে পায় রুনি ৷ এইতো কদিন আগেই ছোটবেলার বান্ধবী মিতালীর সাথে দেখা হয়েছিল ওর গড়িয়াহাটে টুকটাক কেনাকাটা করতে গিয়ে। এ কথা ও কথায় ও বলেছিল কলকাতাতেই মিতালীর বিয়ে হয়েছে ৷। কিন্তু তখন যোগাযোগ করার এতো উপায় ছিলনা তাই জানানো হয়নি। রাজারহাট এলাকায় মহিলাদের নিয়ে একটা এন. জি.ও চালায় ও। নিজের ভিজিটিং কার্ড দিয়ে একদিন ওখানে যাবার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলও বটে মিতালী । আজ সেই কার্ডটা ব্যাগ থেকে বের করে রুমানি ,ডায়াল করে কার্ডের নাম্বারে ।। ওপর প্রান্ত থেকে ভেসে আসে,”হ্যাঁ বল রে রুনি। আমি কিন্তু তোর নম্বর সেভ করেই রেখেছি সেদিন থেকে।”
..”হ্যালো মিতালী , একটা খুব দরকারী কথা আছে। তুই কি আজ ফ্রি আছিস? তাহলে আমি আজ একবার যাব তোর ওখানে।”বড্ড ক্লান্ত শোনায় রুনির গলার স্বর।
_”এমন শোনাচ্ছে কেন রে তোর গলাটা? আমি আজ দুপুরেই আসছি তোর বাড়ি। তুই ঠিক আছিস তো ? আমি আসি তোর বাড়ী তারপরে সামনাসামনি সব কথা হবে “, মিতালী বলে ফোনটা রেখে দিল ৷
দুপুরে ওদের বাড়ি পৌঁছায় মিতালী। রুনির সবটা শোনে তারপর চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে বলে,”অনেক হলো সংসার খেলা। এবার নিজেকে চেন নিজেকে সাজা ৷ তোর হাতের কাজের ছোঁয়ায় সাজিয়ে তোল তোর জীবনের রূপকথা। তিতিরকে নিয়ে একদম নিজের মত করে বাঁচ তুই। তোর হাতে যা যাদু আছে ওই দিয়েই তুই স্বাবলম্বী হবি। তোর বানানো কেক দিয়ে প্রথমে শুরু কর ৷ তোর পাশে আমি ও আমার এনজিও আছে ৷ তোর তৈরী কেক আর বেকারী আইটিমের মার্কেটিং র দায়িত্ব আমি নিলাম ,এছাড়াও আমার এনজিও তে তুই রান্না আর বেকারীর ক্লাস নিবি তাতে একটা নির্দিষ্ট পরিমান টাকা তোকে পারিশ্রমিক হিসাবে দেবো ৷ যাতে তোর কিছু সুবিধা হয় ৷ প্রথমে বাড়ীর থেকে একটা খাবারের হোম সার্ভিস এর ব্যবসা চালু কর ৷ আমার এনজিও লোকেরা ডেলভারী করে দেবে ৷ আগে এই ভাবে শুরু কর পরে ব্যবসা বাড়লে দেখা যাবে ৷ দুই সপ্তাহ পর বাড়ি থেকে মনসিজ ফ্ল্যাটে তালা দেওয়া দেখে সন্দেহ হয়, কোথায় গেল রুমানি আর তিতির ? নিজের কাছে থাকা চাবি দিয়ে ফ্ল্যাটটা খুলে ভিতরে ঢুকতেই ও দেখে টেবিলে রাখা একখানা হলুদ চিরকুট। তাতে রুনির হাতে মুক্তোর মত অক্ষরে লেখা,”তিতিরকে নিয়ে স্বাবলম্বী হবার পথ খুঁজে পেয়েছি। তোমার সাথে ওই পরিবেশে আর মানিয়ে নিতে পারছিলাম না। ঠিক সময়মত বিবাহবিচ্ছেদের নোটিস পেয়ে যাবে তুমি। আর আমার স্বাবলম্বী হবার প্রথম রোজগারটা তোমাকেই মানি অর্ডার করে দেব। ওটা এতদিন ধরে তোমার অন্ন ধ্বংস করার উপহার।”
নিশ্চল মূর্তির মত দাঁড়িয়ে থাকে মনসিজ। রুমানি স্বাবলম্বী হলো, ব্যবসাও কলেবরে বৃদ্ধি পেয়েছে ৷ অনেক মেয়েকে কর্মসংস্হান করে দিতে পেরেছে আজ রুমানি কিন্তু মনসিজ আজ একদম একা —তিতিরও বাবার সাথে দেখা করতে চায় না ৷ তিতির আর ছোটো নেই এখন টুয়েলেভে পড়ে ,মায়ের সাথে ব্যবসায় সাহায্য করে ৷ মা মেয়ের উড়ানে মনসিজ কোথাও নেই ৷


Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •